15/09/2015

আরডুইনো প্রোগ্রামিং বেসিক এবং IDE পরিচিতি

আরডুইনো ব্যবহৃত কোন সিস্টেম পরিচালিত হয়, আরডুইনোতে লোড করা প্রোগ্রামের ইন্সট্রাকশন অনুযায়ী। তাই আরডুইনো ব্যবহার করে কোন সিস্টেম তৈরি করতে গেলে আমাদেরকে আরডুইনো তে কিভাবে প্রোগ্রাম লোড করতে হয়, কিভাবে প্রোগ্রাম লেখতে হয়, কোন ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করে প্রোগ্রাম লেখতে হয় ইত্যাদি বিষয় সমূহ জানা আবশ্যক।আর এই সবগুলো কাজ করা হয় আরডুইনো IDE ব্যবহার করে। গতপর্বে আমরা arduino.cc ওয়েব সাইট থেকে আরডুইনো IDE অর্থাৎ ইন্ট্রিগ্রেটেড ডেভলপমেন্ট এনভাইরোনমেন্ট ডাউনলোড করেছি। আজ আমরা আরডুইনো IDE এর বেসিক ইন্টারফেস পরিচিতি সম্পর্কে জানব
2mm.jpg

আরডুইনো IDE এর বেসিক ইন্টারফেস পরিচিতি

আপনি যদি আরডুইনো IDE ওপেন করেন তাহলে উপরের ছবির মত দেখতে পাবেন।

1

আরডুইনো IDE এর ইন্টাফেসে কয়েকটি অংশ রয়েছে।

  • মেনুবার
  • টুলবার
  • টেক্সট এডিটর
  • ম্যাসেজ বক্স
  • কনসোল এরিয়া

2

মেনুবার

প্রতিটা সফটওয়্যারেই একটা মেনুবার থাকে। যেখান থেকে ফাইল ওপেন করা যায়, নতুন ফাইল তৈরি করা যায়, Save করা যায়। এছাড়া বিভিন্ন টুলস সমূহ ইত্যাদি মেনু সমূহে থাকে।আরডুইনো IDE তেও একটা মেনুবার রয়েছে যেখানে File Edit Sketch Tools Help নামে পাঁচটি মেনু রয়েছে।

File মেনুব্যবহার করে ফাইল Open, New, Save, Example সমূহ Open করা, প্রোগ্রাম আপলোড করা, প্রিন্ট করা ইত্যাদি কাজ করা হয়।

Edit মেনু ব্যবহার করে Undo, Redo, Cut, Copy, Pest, Find, Comment যুক্ত করা ইত্যাদি করা যায়।

Sketch মেনুব্যবহার করে প্রোগ্রাম কম্পাইল/ভেরিফাই করা, sketch ফাইল ওপেন করা, প্রোগ্রামে যদি কোন লাইব্রেরি ব্যবহার করতে হয় তাহলে সেগুলো যুক্ত করা যায়। আরডুইনো IDE ব্যবহার করে যখন কোন প্রোগ্রাম লেখার পর Save করা হয়, তখন তা example.ino অর্থাৎ .ino এক্সটেনশন যুক্ত ফাইল হিসেবে Save হয়। এই .ino এক্সটেনশন যুক্ত ফাইলকে sketch ফাইল বলে।

Tools মেনুব্যবহার করে আরডুইনো বোর্ড সিলেকশন, সিরিয়াল পোর্ট সিলেকশন অর্থাৎ আপনার আরডুইনো বোর্ডটি কোন পোর্টে যুক্ত আছে তা আইডিই কে নির্দিষ্ট করে দিতে পারেন, সিরিয়াল মনিটর অর্থাৎ সিরিয়াল কমিউনিকেশনে ব্যবহৃত ডাটা প্রদর্শন করতে এবং পাঠাতে ব্যবহৃত টুলটি ওপেন করতে পারেন। এছাড়া প্রয়োজনে প্রোগ্রামার সিলেকশন করা যেতে পারে। এছাড়া প্রোগ্রামের বিভিন্ন লাইন সুন্দর করে সাজাতে অটো ফরমেট করা যায়।

টুলবার

মেনুবারের ঠিক নিচে একটা টুলবার থাকে। যে সকল টুল সমূহ বেশি প্রয়োজন হয় সেগুলো এই টুলবারে রয়েছে।

টুলবারটিতে পর্যায়ক্রমিকভাবে Verify Upload New Open Save এবং বামদিকে Serial Monitor টুল সমূহ রয়েছে।

টেক্সট এডিটর

টেক্সট এডিটর ব্যবহার করেই প্রোগ্রাম লেখা হয়। আরডুইনোর এই অফিসিয়াল আই ডি ই তে

প্রসেসিং নামে একটা হাই লেভেল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করে প্রোগ্রাম লেখা হয, যার সাথে প্রোগ্রামিং সি এর অনেক মিল রয়েছে এবং ল্যাঙ্গুয়েজটি খুবই সহজ।

একটা বেসিক প্রোগ্রামের উদাহরণ

int led = 13;

// the setup routine runs once when you press reset:

void setup() {

// initialize the digital pin as an output.

pinMode(led, OUTPUT);

}

// the loop routine runs over and over again forever:

void loop() {

digitalWrite(led, HIGH); // turn the LED on (HIGH is the voltage level)

delay(1000); // wait for a second

digitalWrite(led, LOW); // turn the LED off by making the voltage LOW

delay(1000); // wait for a second

}

ম্যাসেজ বক্স

কোড এডিটরের নিচে একটা ম্যাসেজ বক্স রয়েছে। যার মাধ্যমে বিভিন্ন ম্যসেজ যেমন প্রোগ্রাম সঠিকভাবে কম্পাইল হলে Done Compiling প্রদর্শন করে।

কনসোল এরিয়া

ম্যাসেজ বক্সের ঠিক নিচে একটা কনসোল এরিয়া রয়েছে এখানে প্রোগ্রামের সাইজ এবং প্রোগ্রাম সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য প্রদর্শিত হয়। যেমন Binary sketch size: 1,084 bytes (of a 32,256 byte maximum।

………………………………………………………………………………..

জ্ঞন বিজ্ঞানের সংস্পর্শে আলোকিত একটা সুন্দর সমৃদ্ধ পৃথিবীর প্রত্যাশায় আজ এখানেই শেষ করছি। সকলের জন্য শুভকামনা রইল। বাংলা ভাষায় আরডুইনো টিউটোরিয়াল কেমন লাগছে সবার , জানাতে ভুলবেন না কিন্তু।

আরডুইনোতে প্রথম প্রোগ্রাম (ফ্লাসিং এল ই ডি)

2mmআপনারা ইতোমধ্যেই জেনেছেন যে, আরডুইনো ব্যবহৃত কোন সিস্টেম পরিচালিত হয়, আরডুইনোতে লোড করা প্রোগ্রামের ইন্সট্রাকশন অনুযায়ী। আজকে আমরা আরডুইনো ব্যবহৃার করে কোন সিস্টেম ব্যবহার করার প্রাথমিক ধারণা অর্জন করব।আজকে আমরা ফ্লাসিং এল ই ডির একটা প্রজেক্ট তৈরি করব এবং আরডুইনোর জন্য কিভাবে প্রোগ্রাম লেখতে হয়, প্রোগ্রামের বিভিন্ন অংশ ইত্যাদি সম্পর্কে জানার চেষ্টা করব।

ফ্লাসিং এল ই ডি প্রোগ্রামের কোড

/*

Blink

Turns on an LED on for one second, then off for one second, repeatedly.

This example code is in the public domain.

*/

// Pin 13 has an LED connected on most Arduino boards.

// give it a name:

int led = 13;

// the setup routine runs once when you press reset:

void setup() {

// initialize the digital pin as an output.

pinMode(led, OUTPUT);

}

// the loop routine runs over and over again forever:

void loop() {

digitalWrite(led, HIGH); // turn the LED on (HIGH is the voltage level)

delay(1000); // wait for a second

digitalWrite(led, LOW); // turn the LED off by making the voltage LOW

delay(1000); // wait for a second

}

সার্কিট ডায়াগ্রাম

ExampleCircuit_bb

প্রোগ্রামটির বর্ণনা

উপরের প্রোগ্রামটি আরডুইনে IDE এর example ফাইলে দেয়া আছে। প্রতিটা আরডুইনো UNO বোর্ডে 13 নাং ডিজিটাল ইনপুট/আউটপুট পিনের বিপরীতে একটা এল ই ডি সংযুক্ত থাকে। উপরের প্রোগ্রামটি আরডুইনে IDE তে লিখে আরডুইনো UNO তে লোড করলে এল ই ডি টি এক মিনিটের জন্য জ্বলবে এবং পরবর্তী এক মিনিট নিভে থাকবে, এভাবে চলতে থাকবে।

বিস্তারিত বর্ণানা এবং কিছু পরিবর্তন

প্রতিটা আরডুইনো UNO বোর্ডে 0 থেকে 13 মোট ১৪ টি ডিজিটাল ইনপুট/আউটপুট পিন আছে। উপরের প্রোগ্রামটির 13 নং ডিজিটাল পিনটিকে আউটপুট পিন হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে আমরা এর পরিবর্তে 10 নং পিন ব্যবহার করব। উপরের প্রোগ্রামে যে সকল লাইনের সামনে (//) চিহ্ন আছে তা মন্তব্য হিসেবে বিবেচিত হয়, যা প্রোগ্রামটির কোন অংশ নয়। উপরের প্রোগ্রামটির পরিবর্তিত সংক্ষিপ্ত রূপ নিম্নরূপ।

int led = 10;

void setup()

{

pinMode(led, OUTPUT);

}

void loop()

{

digitalWrite(led, HIGH); // turn the LED on (HIGH is the voltage level)

delay(1000); // wait for a second

digitalWrite(led, LOW); // turn the LED off by making the voltage LOW

delay(1000); // wait for a second

}

প্রোগ্রাম বিশ্লেষণ

  • আরডুইনো ব্যবহার করে লেখা প্রোগ্রামের দুটি প্রধান অংশ থাকে। void setup() এবং void loop() ।
  • void setup() ফাংশনটি ব্যবহার করা হয় পিনমুড নিধারণ, ভেরিয়েবল ইনিশিয়ালাইজ করা, লাইব্র্রেরি ব্যবহার করা ইত্যাদি কাজের জন্য ব্যবহার করা হয়। void setup() ফাংশনটি মাত্র একবার কাজ করে। অর্থাৎ প্রতিবার পাওয়ার সাপ্লাই দেয়ার পর বা রিসেট করার পর void setup() ফাংশনটি সক্রিয় হয়।
  • void loop() ফাংশনের মধ্যেই প্রোগ্রামের প্রধান অংশ রাখা হয়।
  • int led = 10; এর মাধ্যমে led নামে একটা ভেরিয়েবল ডিক্লেয়ার করা হয়েছে যার মান 10।
  • pinMode(led, OUTPUT); অর্থাৎ led এর মান 10 , অর্থাৎ ১০ নং ডিজিটাল ইনপুট/ আউটপুট পিনটিকে আউটপুট হিসেবে ব্যবহার করা হবে।
  • digitalWrite(led, HIGH); অর্থাৎ ১০ নং ডিজিটাল আউটপুট পিনটিক লজিক হাই হবে।
  • delay(1000); অর্থাৎ ১০০০ মিলি সেকেন্ড বা এক মিনিট অপেক্ষা করবে যে সময় ১০ নং ডিজিটাল আউটপুট পিনটিক লজিক হাই অবস্থায় থাকবে।
  • digitalWrite(led, LOW); অর্থাৎ ১০ নং ডিজিটাল আউটপুট পিনটিক লজিক লো হবে।
  • delay(1000); অর্থাৎ ১০০০ মিলি সেকেন্ড বা এক মিনিট অপেক্ষা করবে যে সময় ১০ নং ডিজিটাল আউটপুট পিনটিক লজিক লো অবস্থায় থাকবে।

খুবই সহজ প্রোগ্রাম। আশাকরি সবাই করতে পারবেন। কোন সমস্যা থাকলে বা জানার থাকলে মন্তব্য করবেন।

………………………………………………………………………………..

জ্ঞন বিজ্ঞানের সংস্পর্শে আলোকিত একটা সুন্দর সমৃদ্ধ পৃথিবীর প্রত্যাশায় আজ এখানেই শেষ করছি। সকলের জন্য শুভকামনা রইল।

আপনার মোবাইলের নম্বর গোপন রেখে যেভাবে ফোন করবেন!

মোবাইলের যুগ আসার পর নম্বর গোপন করা যায় না। আবার এখন ডিজিটাল টিএণ্ডটি ফোন আসার পরেও কলার আইডি সিস্টেমের কারণে নম্বর গোপন থাকে না। তাই নম্বর গোপন রেখে ফোন করার অ্যাপ সম্পর্কে জানুন।
নানা ধরনের অ্যাপ অবশ্য আগে থেকেই রয়েছে যেগুলো ব্যবহার করা যায় কিন্ত তারজন্য আবার একটি ভুয়া নম্বর ব্যবহার করতে হয়। এজন্য অবশ্য বেশ ঝামেলায় পড়তে হয়। এসব অ্যাপের সাহায্যে কাওকে ফোন করার সময় বদলে ফেলা যায় নিজের মোবাইল নম্বর। এক্ষেত্রে অ্যাপটি ব্যবহারকারীর আসল নম্বর লুকিয়ে রাখে এবং ব্যবহারকারীর দেওয়া অন্য একটি ভুয়া নম্বর প্রদর্শন করে থাকে।
call.jpg?zoom=2&resize=222%2C148
অনেকেই পরিচয় বদলের এই জাতীয় অ্যাপ হিসেবে ব্যবহার করছেন যেমন
Voxox, Lifehacker, Spoofcard, Tracebust, CallerIDFaker ইত্যাদি।
এসব অ্যাপের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয়তা পেয়েছে Tracebust অ্যাপটি।
অাসুন দেখি কিভাবে Tracebust অ্যাপটি দিয়ে নাম্বার গোপন রেখে কথা বলা যায় প্রথমে একটা একাউন্ট খুলে নিন.....
যেমন আমি খুললাম...
IMG_20150914_092410.jpg
একাউন্টে লগিন করুন, এর পর আপনে Country সিলেক্ট করবেন এবং নাম্বার বসাবেন > Place Call এ ক্লিক করে কল করবেন। এছাড়াও আপনে চাইলে "Voice Change" ও করতে পারবেন।
Screenshot_2015-09-14-08-49-39.png
প্রাথমিকভাবে এর ট্রায়াল ভারসন ব্যবহার করা যাবে, কিন্তু পরবর্তীতে ব্যবহারের ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীকে মূল্য পরিশোধ করতে হবে।
সংবাদ মাধ্যমের এক খবরে বলা হয়েছে, এসব অ্যাপ হতে ফোন করলে বদলে যাবে আপনার ফোন নম্বর। তারপর যদি কন্ঠ পাল্টে দেন, তাহলে তো ফোনের অপর প্রান্তের পরিচিত মানুষটিও আপনাকে চিনতে পারবে না। প্রযুক্তি বিশ্বের এইসব সুযোগগুলো ব্যবহারের সুযোগ নিচ্ছে অনেকেই। তারা এসব অ্যাপ ইনস্টল করে বন্ধু- বান্ধবদের সঙ্গে মজা করছেন। সেইসঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিরক্ত এবং উত্যক্ত করার মতো নানা অসামাজিক কাজেরও অভিযোগ উঠেছে। তবে পাওয়ানাদারের কাছ থেকে পাওয়া উদ্ধারে এমন অ্যাপ আপনি ব্যবহার করতেই পারেন।
প্রযুক্তির ব্যবহার মানুষের সুযোগ-সুবিধা যেমন বৃদ্ধি করেছে, তেমনি মানুষের নানা ধরনের বিরক্তির কারণও হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই এসব অ্যাপ ব্যবহারে সকলকেই সজাগ থাকা উচিত। কারণ সামান্য একটি ভুলের জন্য মানুষের জীবনে নেমে আসতে পারে অনেক বড় কোনো বিপর্যয়।

কেন নিজের সিম অন্যের নামে ব্যবহার করবেন? আজ থেকে ব্যবহার করুন নিজের নামে। (বাংলালিংক)…..

আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আশা করি আল্লাহর রহমতে ভালই আছেন। কথা না বাড়িয়ে কাজের কথায় চলে যাই। আমরা যখন আমাদের সিমগুলো ক্রয় করেছিলাম তখন অনেকেই হয়তো নিজের আইডি ব্যবহার করে সিম ক্রয় করিনি।
কিন্তু সিমগুলো কোনো না কোনো নামে রেজিষ্ট্রেশন করা হয়েছে। তাই এখন বাংলালিংক দিচ্ছে সেই সুযোগ যার মাধ্যমে সিমটি নিজের নাম ও আইডি ব্যবহার করে তথ্য হালনাগাদ করার। তথ্য হালনাগাদ করার জন্য যা করতে হবে-
১. এই লিংকেগিয়ে নিজের মোবাইল নম্বর ও কেপচা প্রবেশ করান।
11-picsay.jpg
২. তারপর আপনার সিমে একটি i token নম্বর যাবে। সেটি প্রবেশ করান।
21-picsay.jpg
৩. তারপর আপনার সকল তথ্য দ্বারা ফরমটি পূরণ করুন।
3-picsay.jpg
৪. তারপর আপনার তথ্য হালনাগাদের রিকোয়েস্ট যাবে বাংলালিংক এর অফিসে। তারা তথ্য গুলো যাচাই করে আপনার তথ্য হালনাগাদ করে দিবে।
৫. ফরম পূরণের সময় আপনার ছবি (100 কেবির কম) ও আইডি কার্ডের ছবি (100 কেবির কম) প্রয়োজন হবে। তাই হালনাগাদের পূর্বে এগুলো কম্পিউটারে সংরক্ষণ করুণ।
৬. NID না থাকলে HSC or SSC রেজিস্ট্রেশন কার্ড দিয়েও হবে। আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি। ভুল হলে মাফ করবেন। সবার কাছে দোয়া প্রার্থী।

ANDROID ফোন দিয়ে TV কন্ট্রোল করুন আর সহজে আপনার ফোন কে করে ফেলুন Universal Remote .সাথে কন্ট্রোল করুন আপনার Air Conditioner,Set -top Box,Projector,DSLR camera,PS 3,Xbox,Video Receiver,Sound System….

আসসালামুআলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভাল আছেন।
Name-Galaxy Universal Remote Licence-Pro
Platform-Android Rating-4.3
এই এপপ দিয়ে সহজে আপনার Android ফোন কে TV রিমোট হিসাবে use করতে পারবেন। বেস্ট এপপ ফর use as tv রিমোট। এটা একটি অল IN ONE এপপ। এটা দিয়ে আপনি কন্ট্রোল করতে পারবেন
-your TV, your Set-top Box, your Audio Video Receiver, your Sound System, your Amplifier, your DVD Player, your Blu-ray Player, your Media or Streaming Player, your Air Conditioner, your Projector, your DSLR camera, your PS3, your Xbox, and more!
হু যা পড়ছেন true পড়ছেন।it possible.
No external hardware required.
No network connection required.
No permissions required…. Features
@ Save each one of your devices so that you can easily access them later..
@ Control all of your devices from just one screen, by creating your own custom remote, where you can add buttons from different devices in a single tab!
@ Customize your remote control by changing the number of tabs, the layout, the colors, the style of each button, and more.
@ Save a sequence of actions(macro) to be executed one by one. For example you can turn on your TV, turn on your cable box, wait 1 second, go to channel 100 and turn up the volume. All of these actions saved in a single button.
@ Send your own custom IR code and save it to a button.
@ If your device is not listed in the app, you can use the scan mode to automatically test all brands and models in order to find a compatible one.
@ Back up and restore all your saved devices and remotes so that you can easily transfer them to another phone.
@ Add widgets at your home screen to control your devices without even opening the app.
@ Transfer your remotes to your Android Wear Smartwatch, so that you control all your devices directly through your watch
@ This application works with phones or tablets that have an IR blaster… More InFo…. Play Store
Download Link… - Click Here
remote1.jpg
remote2.jpg

The Three Card Monte তিন তাস এর খেলা,আপনিও পরতে পারেন এই ধোকায়-দেখ যান এর থেকে কি করে বাচবেন

আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই?
আশাকরি আপনারা সবাই ভালোই আছেন।প্রথমেই বলে রাখছি আমি এখানে নতুন টিউনার।কোন ভুল হলে খমা করবেন। তাহলে চলেন সুরু করা জাক।
আমরা সবাই কার্ড/তাস কে ভালো করেই চিনি। যার নাকি ৫২ টা খেলা আছে। আমি এই সব গুলো খেলা নিয়ে বলবোনা, যেটা নিয়ে আলোচনা করবো তা হোল The Three Card Monte। যাকে আমরা বলতে পারি তিন তাস এর ধোকা বাজির খেলা। কি বুজতে পারছেন না তো এই ছবি টা দেখুনঃ
10uk198.jpg
যা আমাদের শহরের রাস্তা-ঘাঁট, হাট-বাঁজার, মেলা ইতাদি তে দেখা যাই। এটা হোল তিনটা তাস থাকবে এর একটা কে আপনাকে ফলোও করতে হবে আর তাতে বাজি ধরতে হবে। সব তাস গুলাকে এলোমেলো করা হবে এরপার আপনি যে তাস কে ফলোও করছিলেন ওই তিনটি তারস এর মোধোও থেকে আপনার তাস টিকে তুলতে হবে। আপনি যুদি সঠিক তাস টিকে তুলতে পারেন তাহলে আপনার বাজি ধরা টাকা হবে ডাবল। আর নাহলে হবে ০০০০০ টাকা। তবে আমরা সবাই ডাবল এর আশাই বাজি ধরি এর ফিরি খালি হাতে।
এর থেকে কি করে বাচবেন সেটা লেখে বুজানো যাবেনা তাই একটা ভিডিও কালেক্ট করেছি এতে বিস্তারিত বালা আছে ২ মিনিট এর ভিডিও:
The Three Card Monte তিন তাস এর খেলা
লেখে হয়তো বা বুযাতে পারিনি Vdieo দেখলে ভালো করে বুজতে পারবেন

13/09/2015

জাতীয় পরিচয়পত্র (ন্যাশনাল আইডি কার্ড) এর ছবি পরিবর্তন তথ্য পরিবর্তন ও নতুন ভোটার হোন অনলাইনে

কেমন আছেন সবাই ? আজকের পোস্ট বাংলাদেশের ১০ কোটি জাতীয় পরিচয়পত্র (ন্যাশনাল আইডি কার্ড) ধারী ও ১৮ বৎসর বয়সী ভোটার হবার উপযুক্ত সকল নাগরিকের জন্য । বাংলাদেশে যত জাতীয় পরিচয়পত্র (ন্যাশনাল আইডি কার্ড) আছে ৯৯% ছবি অস্পষ্ট ও ২০% জাতীয় পরিচয়পত্রে তথ্য ভুল রয়েছে, আমি আজ আপনাদের দেখাবো কিভাবে ঘরে বসেই অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র বা ন্যাশনাল আইডি কার্ডের বিস্তারিত ডিটেইলস দেখতে পারবেন, ছবি পরিবর্তন, ঠিকানা পরিবর্তন, ভুল সংশোধন ও তথ্য হালনাগাদ করতে পারবেন ও কিভাবে অনলাইনে নতুন ভোটার হওয়ার আবেদন ফরম পূরণ করা যাবে ।

এই পোস্টটি পড়ে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের বিস্তারিত দেখে নিন এবং ফেসবুকে শেয়ার করে বন্ধুদের অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র ন্যাশনাল আইডি কার্ডের ছবি পরিবর্তন তথ্য পরিবর্তন ও নতুন ভোটার হবার বিস্তারিত নিয়মকানুন জানিয়ে দেন ।

আজকে দেখাবো অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্রের কি কি পরিবর্তন আপনি নিজেই করতে পারবেন ?

  • তথ্য পরিবর্তন
  • ঠিকানা পরিবর্তন
  • ভোটার এলাকা স্থানান্তর
  • পুনঃমূদ্রণ
  • ছবি পরিবর্তন
  • আবেদনপত্রের হাল অবস্থা

কিভাবে ছবি পরিবর্তন ও তথ্য হালনাগাদ ও আপনার সকল ডাটাবেজ দেখতে পারবেন?

আমি নিচে চিত্রের মাধ্যমে স্টেপ বাই স্টেপ দেখিয়ে দিচ্ছি ।

প্রথমে রেজিষ্ট্রেশন করতে এই লিংকে যান>>> https://services.nidw.gov.bd/registration

(এই সাইট https ফরম্যাটে হওয়াতে আপনার ফায়ারফক্স ব্রাউজারে এটা লেখা আসতে পারে This Connection is Untrusted  সেক্ষেত্রে সমাধান হলো প্রথমে I Understand the Risks ক্লিক করেন তারপর ।

  1. On the warning page, click I Understand the Risks.
  2. Click "Add Exception'.... The Add Security Exception dialog will appear.
  3. Click "Confirm Security Exception" ক্লিক করুন সাইট চলে আসবে । )

কারা অনলাইন সেবার জন্য রেজিষ্ট্রেশন করতে পারবেন !!

আপনি ভোটার হয়ে থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করে এই ওয়েবসাইটের সুবিধা নিন। রেজিষ্ট্রেশন করতে নিন্মের ধাপসমূহ অনুসরণ করুণ-

  • প্রয়োজনীয় তথ্যাবলী পূরণ করে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন।
  • আপনার কার্ডের তথ্য ও মোবাইলে প্রাপ্ত এক্টিভেশন কোড সহকারে লগ ইন করুন।
  • তথ্য পরিবর্তনের ফর্মে তথ্য হালনাগাদ করে সেটির প্রিন্ট নিয়ে নিন।
  • পৃন্টকৃত ফর্মে স্বাক্ষর করে সেটির স্ক্যানকৃত কপি অনলাইনে জমা দিন।
  • তথ্য পরিবর্তনের স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় দলিলাদি কালার স্ক্যান কপি অনলাইনে জমা দিন।

এবার "রেজিষ্ট্রেশন ফরম পুরন করতে চাই" ক্লিক করুন ।

এবার ফরমটি সঠিক ভাবে পুরন করুনঃ

  • এন.আই.ডি নম্বরঃ  (আপনার এন.আই.ডি নম্বর যদি ১৩ সংখ্যার হয় তবে অবশ্যই প্রথমে আপনার জন্মসাল দিয়ে নিবেন উদাহরণঃ আপনার কার্ড নাম্বার ১২৩৪৫৬৭৮৯১০০০ ও জন্মসাল ১৯৯০ আপনি এভাবে দিবেন ১৯৯০১২৩৪৫৬৭৮৯১০০০)
  • জন্ম তারিখঃ (কার্ড দেখে সিলেক্ট করুন)
  • মোবাইল ফোন নম্বরঃ (আপনার সঠিক মোবাইল নাম্বার দিন কারন মোবাইলে ভেরিফাই কোড পাঠাবে )
  • ইমেইলঃ (ইচ্ছা হলে দিতে পারেন না দিলে সমস্যা নাই, ইমেইল আইডি দিলে পরবর্তীতে লগইন করার সময় ভেরিফাই কোড ইমেইলে সেন্ড করতে পারবেন যদি মোবাইল হাতের কাছে না থাকে)
  • বর্তমান ঠিকানা

    • বিভাগ জেলা উপজেলা/থানা সিলেক্ট করুন ভোটার হবার সময় যা দিয়েছিলেন ।
  • স্থায়ী ঠিকানা

  • বিভাগ জেলা উপজেলা/থানা সিলেক্ট করুন ভোটার হবার সময় যা দিয়েছিলেন ।
  • লগইন পাসওয়ার্ড

  • পাসওয়ার্ড অবশ্যই ৮ সংখ্যার হতে হবে বড় হাতের অক্ষর ও সংখ্যা থাকতে হবে যেমনঃ PChelpline2015

এবার সঠিক ভাবে ক্যাপচা পুরন করুন ছোট হাতের বড় হাতের অক্ষর বা সংখ্যা যা দেওয়া আছে তাই বসান তবে স্পেস দিতে হবেনা ।

এবার "রেজিষ্টার" বাটন ক্লিক করে দ্বিতীয় ধাপে চলে যান ।

ফরম টি সঠিক ও সফল ভাবে রেজিস্টার করার পর দেখুন আপনার মোবাইলে ভেরিফাই কোড এসেছে ও ব্রাউজারে ঐ কোড সামমিট করার অপশন এসেছে , নিচের ছবির মত স্থানে আপনার মোবাইলের ভেরিফাই কোড বাসান ও রেজিস্টার বাঁটনে ক্লিক করুন ।

(২ মিনিটের মধ্যে মোবাইলে কোড না আসলে পুনরায় কোড পাঠান (SMS) ক্লিক করুন)

সঠিক ভাবে কোড প্রবেশ করার পর আপনার Account Active হয়ে যাবে এবার নিচের ছবির মত পেইজ আসবে আপনাকে লগইন  করতে বলা হবে অথবা লগইন লিংক>> https://services.nidw.gov.bd/login

লগইন করতে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর (১৩ সংখ্যার হলে অবশ্যই প্রথমে আপনার জন্মসাল দিয়ে নিবেন)  জন্মতারিখ ও আপনার দেওয়া পাসওয়ার্ড দিয়ে ভেরিফাই কোড কিভাবে পেতে চান তা সিলেক্ট করতে হবে ।

রেজিস্ট্রেশন করা মোবাইল নাম্বার আপনার হাতের কাছে থাকলে মোবাইলে তা নাহলে ইমেইলে সিলেক্ট করুন ।

এবার "সামনে" ক্লিক করুন ।


এবার আপনার সিলেক্ট করা অপশন মোবাইলে বা ইমেইল থেকে ভেরিফাই কোড বসিয়ে লগইন করুন ।

২ মিনিটের মধ্যে যদি কোড না আসে তবে "পুনরায় কোড পাঠান"  বাটনে ক্লিক করুন ।

এবার দেখুন আপনার নির্বাচন কমিশনের কাছে থাকা আপনার সকল ডাটাবেজ আপনার সামনে হাজির :) এবং নিচের যেকোন অপশনে আপনার দরকার অনুযায়ী অপশনে ক্লিক করুন আর তথ্য হালনাগাদ করুন এবং আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের ছবি পরিবর্তন সহ অনেক কিছু পরিবর্তন করুন।

কিভাবে অনলাইনে নতুন ভোটার হওয়া যাবে ?

অনলাইনে ভোটার হবার আবেদন করতে এই লিংকে যান https://services.nidw.gov.bd/newVoter

তারপর আপনার ভোটার তথ্য পুরন করুন । অনলাইনে ভোটার হতে নিচের শর্ত গুলো ভাল করে পড়ে নিন এবং "আমি রাজি ও নিবন্ধন ফরম পূরণ করতে চাই" ক্লিক করুন ।

নতুন ভোটার নিবন্ধন !!

১) নতুন ভোটার হিসাবে নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় আপনাকে স্বাগত জানাই।

ক) ভূমিকাঃ

  • অনলাইন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আপনি সঠিকভাবে ভোটার রেজিষ্ট্রেশন ফর্ম পূরণ করতে পারবেন)
  • আপনি ইতোমধ্যে ভোটার হয়ে থাকলে পুনরায় আবেদন করার প্রয়োজন নেই। নিবন্ধিত ব্যাক্তি পুনরায় আবেদন করলে সেটি দন্ডনীয় অপরাধ
  • নতুন ১৮ বয়সের অধিক, প্রবাসী বা বাদপড়া ভোটারগণ এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিবন্ধন করতে পারবেন
  • বিস্তারিত জানার জন্য এখানে ক্লিক করুন ।

খ। ধাপসমূহঃ

  • ধাপে ধাপে সকল তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করুন
  • নিজের পূর্ণনাম ছাড়া সকল তথ্য বাংলায় ইউনিকোডে পুরণ করুন
  • সকল ধাপ সম্পন্ন হবার পরে প্রিভিউএর মাধ্যমে সকল তথ্য পুনর্বার যাচাই করে নিন
  • পিডিএফ ফাইল তৈরি করে সেটি প্রিন্ট করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ নিকটস্থ নির্বাচন অফিসে জমা দিন
  • আপনার প্রদত্ত তথ্যাদি যাচাই এবং ঠিকানা যাচাইয়ের পরে তথ্যাদি সঠিক নিশ্চিত হলে আপনার কার্ড তৈরি হবে
  • কার্ডের রশিদ জমা দিয়ে কার্ড সংগ্রহ করুন
  • ফরমের সাথে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টের কপি জমা দিন

 

পোস্টটি বন্ধু ও বান্ধবী এবং আত্মীয় স্বজনের সাথে ফেসবুক বা টুইটারে শেয়ার করতে ভুলবেন না

আমাকে ফেসবুকে ফলো করতে পারেন এখানে >>> http://www.fb.com/mdbiddut.sorkar.246

সতর্কতাঃ লেখকের অনুমোদন ছাড়া লেখাটি আংশিক বা সম্পূর্ণ কপিপেস্ট করিবেন না ।

 

নিচের প্রশ্নের তথ্য গুলো অনেকেই ফেসবুক ম্যাসেজ বা কমেন্টস করে জানতে  চেয়েছেন । সরাসরি নির্বাচন কমিশনের ওয়েব থেকে উত্তর গুলো দেওয়া হলো ।

জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন সংক্রান্ত

১। প্রশ্নঃ কার্ডের তথ্য কিভাবে সংশোধন করা যায়?
উত্তরঃ এনআইডি রেজিস্ট্রেশন উইং/উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে ভুল তথ্য সংশোধনের জন্য আবেদন করতে হবে। সংশোধনের পক্ষে পর্যাপ্ত উপযুক্ত দলিলাদি আবেদনের সাথে সংযুক্ত করতে হবে।

২। প্রশ্নঃ কার্ডে কোন সংশোধন করা হলে তার কি কোন রেকর্ড রাখা হবে?
উত্তরঃ সকল সংশোধনের রেকর্ড সেন্ট্রাল ডাটাবেজে সংরক্ষিত থাকে।

৩। প্রশ্নঃ ভুলক্রমে পিতা/স্বামী/মাতাকে মৃত হিসেবে উল্লেখ করা হলে সংশোধনের জন্য কি কি সনদ দাখিল করতে হবে?
উত্তরঃ জীবিত পিতা/স্বামী/মাতাকে ভুলক্রমে মৃত হিসেবে উল্লেখ করার কারণে পরিচয়পত্র সংশোধন করতে হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয়পত্র দাখিল করতে হবে।

৪। প্রশ্নঃ আমি অবিবাহিত। আমার কার্ডে পিতা না লিখে স্বামী লেখা হয়েছে। কিভাবে তা সংশোধন করা যাবে?
উত্তরঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে আপনি বিবাহিত নন মর্মে প্রমাণাদিসহ আবেদন করতে হবে।

৫। প্রশ্নঃ বিয়ের পর স্বামীর নাম সংযোজনের প্রক্রিয়া কি?
উত্তরঃ নিকাহনামা ও স্বামীর আইডি কার্ড এর ফটোকপি সংযুক্ত করে NID Registration Wing/ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/ থানা/ জেলা নির্বাচন অফিস বরাবর আবেদন করতে হবে।

৬। প্রশ্নঃ বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে গেছে। এখন ID Card থেকে স্বামীর নাম বিভাবে বাদ দিতে হবে?
উত্তরঃ বিবাহ বিচ্ছেদ সংক্রান্ত দলিল (তালাকনামা) সংযুক্ত করে NID Registration Wing/সংশ্লিষ্ট উপজেলা/ থানা/ জেলা নির্বাচন অফিসে আবেদন করতে হবে।

৭। প্রশ্নঃ বিবাহ বিচ্ছেদের পর নতুন বিবাহ করেছি এখন আগের স্বামীর নামের স্থলে বর্তমান স্বামীর নাম কিভাবে সংযুক্ত করতে পারি?
উত্তরঃ প্রথম বিবাহ বিচ্ছেদের তালাকনামা ও পরবর্তী বিয়ে কাবিননামাসহ সংশোধন ফর্ম পূরণ করে আবেদন করতে হবে।

৮। প্রশ্নঃ আমি আমার পেশা পরিবর্তন করতে চাই কিন্তু কিভাবে করতে পারি?
উত্তরঃ এনআইডি রেজিস্ট্রেশন উইং/উপজেলা/জেলা নির্বাচন অফিসে প্রামাণিক কাগজপত্র দাখিল করতে হবে। উলেখ্য, আইডি কার্ডে এ তথ্য মুদ্রণ করা হয় না।

৯। প্রশ্নঃ আমার ID Card এর ছবি অস্পষ্ট, ছবি পরিবর্তন করতে হলে কি করা দরকার?
উত্তরঃ এক্ষেত্রে নিজে সরাসরি উপস্থিত হয়ে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে আবেদন করতে হবে।

১০। প্রশ্নঃ নিজ/পিতা/স্বামী/মাতার নামের বানান সংশোধন করতে আবেদনের সাথে কি কি দলিল জমা দিতে হবে?
উত্তরঃ এসএসসি/সমমান সনদ, জন্ম সনদ, পাসপোর্ট, নাগরিকত্ব সদন, চাকুরীর প্রমাণপত্র, নিকাহ্‌নামা, পিতা/স্বামী/মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হয়।

১১। প্রশ্নঃ নিজের ডাক নাম বা অন্য নামে নিবন্ধিত হলে সংশোধনের জন্য আবেদনের সাথে কি কি দলিল জমা দিতে হবে?
উত্তরঃ এসএসসি/সমমান সনদ, বিবাহিতদের ক্ষেত্রে স্ত্রী/ স্বামীর জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি, ম্যাজিট্রেট কোর্টে সম্পাদিত এফিডেভিট ও জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি,ওয়ারিশ সনদ,ইউনিয়ন/পৌর বা সিটি কর্পোরেশন হতে আপনার নাম সংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্র।

১২। প্রশ্নঃ পিতা/মাতাকে ‘মৃত’ উল্লেখ করতে চাইলে কি কি সনদ দাখিল করতে হয়?
উত্তরঃ পিতা/মাতা/স্বামী মৃত উল্লেখ করতে চাইলে মৃত সনদ দাখিল করতে হবে।

১৩। প্রশ্নঃ ঠিকানা কিভাবে পরিবর্তন/ সংশোধন করা যায়?
উত্তরঃ শুধুমাত্র আবাসস্থল পরিবর্তনের কারনেই ঠিকানা পরিবর্তনের জন্য বর্তমানে যে এলাকায় বসবাস করছেন সেই এলাকার উপজেলা/ থানা নির্বাচন অফিসে ফর্ম ১৩ এর মাধ্যমে আবেদন করা যাবে। তবে একই ভোটার এলাকার মধ্যে পরিবর্তন বা ঠিকানার তথ্য বা বানানগত কোন ভুল থাকলে সাধারণ সংশোধনের আবেদন ফরমে আবেদন করে সংশোধন করা যাবে।

১৪। প্রশ্নঃ আমি বৃদ্ধ ও অত্যন্ত দরিদ্র ফলে বয়স্ক ভাতা বা অন্য কোন ভাতা খুব প্রয়োজন। কিন্তু নির্দিষ্ট বয়স না হওয়ার ফলে কোন সরকারী সুবিধা পাচ্ছি না। লোকে বলে ID Card –এ বয়সটা বাড়ালে ঐ সকল ভাতা পাওয়া যাবে?
উত্তরঃ ID Card এ প্রদত্ত বয়স প্রামাণিক দলিল ব্যতিত পরিবর্তন সম্ভব নয়। উল্লেখ্য, প্রামানিক দলিল তদন্ত ও পরীক্ষা করে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

১৫। প্রশ্নঃ একই পরিবারের বিভিন্ন সদস্যের কার্ডে পিতা/মাতার নাম বিভিন্নভাবে লেখা হয়েছে কিভাবে তা সংশোধন করা যায়?
উত্তরঃ সকলের কার্ডের কপি ও সম্পর্কের বিবরণ দিয়ে NID Registration Wing/ উপজেলা/ জেলা নির্বাচন অফিস বরাবর পর্যাপ্ত প্রামাণিক দলিলসহ আবেদন করতে হবে।

১৬। প্রশ্নঃ আমি পাশ না করেও অজ্ঞতাবশতঃ শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি বা তদুর্দ্ধ লিখেছিলাম এখন আমার বয়স বা অন্যান্য তথ্যাদি সংশোধনের উপায় কি?
উত্তরঃ আপনি ম্যাজিট্রেট আদালতে এস.এস.সি পাশ করেননি, ভুলক্রমে লিখেছিলেন মর্মে হলফনামা করে এর কপিসহ সংশোধনের আবেদন করলে তা সংশোধন করা যাবে।

১৭। প্রশ্নঃ ID Card এ অন্য ব্যক্তির তথ্য চলে এসেছে। এ ভুল কিভাবে সংশোধন করা যাবে?
উত্তরঃ ভুল তথ্যের সংশোধনের পক্ষে পর্যাপ্ত দলিল উপস্থাপন করে NID Registration Wing/সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে আবেদন করতে হবে।এক্ষেত্রে বায়োমেট্রিক যাচাই করার পর সঠিক পাওয়া গেলে সংশোধনের প্রক্রিয়া করা হবে।

১৮। প্রশ্নঃ রক্তের গ্রুপ অন্তর্ভূক্ত বা সংশোধনের জন্য কি করতে হয়?
উত্তরঃ রক্তের গ্রুপ অন্তর্ভুক্ত বা সংশোধন করতে রক্তের গ্রুপ নির্ণয়কৃত ডায়াগনোসটিক রিপোর্ট দাখিল করতে হয়।

১৯। প্রশ্নঃ বয়স/ জন্ম তারিখ পরিবর্তন করার প্রক্রিয়া কি?
উত্তরঃ এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার সনদের সত্যায়িত ফটোকপি আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে। এসএসসি বা সমমানের সনদ প্রাপ্ত না হয়ে থাকলে সঠিক বয়সের পক্ষে সকল দলিল উপস্থাপনপূর্বক আবেদন করতে হবে। আবেদনের পর বিষয়টি তদন্তপূর্বক প্রয়োজনে ডাক্তারী পরীক্ষা সাপেক্ষে সঠিক নির্ধারণ করে প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হবে।

২০। প্রশ্নঃ স্বাক্ষর পরিবর্তন করতে চাই, কিভাবে করতে পারি?
উত্তরঃ নতুন স্বাক্ষর এর নমুনাসহ গ্রহণযোগ্য প্রমাণপত্র সংযুক্ত করে আবেদন করতে হবে। তবে স্বাক্ষর একবারই পরিবর্তন করা যাবে।

২১। প্রশ্নঃ আমার জন্ম তারিখ যথাযথভাবে লেখা হয়নি, আমার কাছে প্রামাণিক কোন দলিল নেই, কিভাবে সংশোধন করা যাবে?
উত্তরঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/জেলা নির্বাচন অফিসে আবেদন করতে হবে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

২২। প্রশ্নঃ একটি কার্ড কতবার সংশোধন করা যায়?
উত্তরঃ এক তথ্য শুধুমাত্র একবার সংশোধন করা যাবে। তবে যুক্তিযুক্ত না হলে কোন সংশোধন গ্রহণযোগ্য হবে না।

১। প্রশ্নঃ ID Card হারিয়ে গিয়েছে। কিভাবে নতুন কার্ড পেতে পারি?
উত্তরঃ নিকটতম থানায় জিডি করে জিডির মূল কপিসহ সংশ্লিষ্ট উপজেল/থানা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়ে অথবা ঢাকায় জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে আবেদন করতে হবে।

২। প্রশ্নঃ হারানো আইডি কার্ড পেতে বা তথ্য সংশোধনের জন্য কি কোন ফি দিতে হয়?
উত্তরঃ এখনো হারানো কার্ড পেতে কোন প্রকার ফি দিতে হয় না। তবে ভবিষ্যতে হারানো আইডি কার্ড পেতে/সংশোধন করতে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফি ধার্য করা হবে।

৩। প্রশ্নঃ হারানো ও সংশোধন একই সাথে করা যায় কি?
উত্তরঃ হারানো ও সংশোধন একই সাথে সম্ভব নয়। আগে হারানো কার্ড তুলতে হবে, পরবর্তীতে সংশোধনের জন্য আবেদন করা যাবে।

৪। প্রশ্নঃ হারিয়ে যাওয়া আইডি কার্ড কিভাবে সংশোধন করব?
উত্তরঃ প্রথমে হারানো আইডি কার্ড উত্তোলন করে তারপর সংশোধনের আবেদন করতে হবে।

৫। প্রশ্নঃ প্রাপ্তি স্বীকারপত্র / স্লিপ হারালে করণীয় কি?
উত্তরঃ স্লিপ হারালেও থানায় জিডি করে সঠিক ভোটার আইডি নাম্বার দিয়ে হারানো কার্ডের জন্য আবেদন পত্র জমা দিতে হবে।

৬। প্রশ্নঃ প্রাপ্তি স্বীকারপত্র / ID Card হারিয়ে গেছে কিন্তু কোন Document নেই বা NID নম্বর/ ভোটার নম্বর/ স্লিপের নম্বর নেই, সে ক্ষেত্রে কি করণীয়?
উত্তরঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/ থানা/ জেলা নির্বাচন অফিস থেকে Voter Number সংগ্রহ করে NID Registration Wing/ উপজেলা/ থানা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়ে আবেদন করতে হবে।

৭। প্রশ্নঃ জাতীয় পরিচয়পত্রে নেই কিন্তু তথ্য পরিবর্তিত হয়েছে এমন তথ্যাদি পরিবর্তন কিভাবে সম্ভব?
উত্তরঃজাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে এ সংক্রান্ত কাগজপত্রাদি সহ আবেদন করলে যাচাই-বাছাই করে বিবেচনা করা হবে।

৮। প্রশ্নঃ জাতীয় পরিচয় পত্রের মান বর্তমানে তেমন ভালো না এটা কি ভবিষ্যতে উন্নত করার সম্ভাবনা আছে?
উত্তরঃ হ্যাঁ। আগামীতে স্মার্ট আইডি কার্ড প্রদানের জন্য কাযর্ক্রম চলমান আছে যাতে অনেক উন্নত ও আধুনিক ফিচার সমৃদ্ধ থাকবে এবং মান অনেক উন্নত হবে।

১। প্রশ্নঃ আমি যথা সময়ে ভোটার হিসেবে Registration করতে পারিনি। এখন কি করা যাবে?
উত্তরঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে যথাযথ কারণ উল্লেখপূর্বক আবেদন করতে পারেন।

২। প্রশ্নঃ আমি বিদেশে অবস্থানের কারণে Voter Registration করতে পারিনি, এখন কিভাবে করতে পারবো?
উত্তরঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে বাংলাদেশ পাসপোর্ট-এর অনুলিপিসহ জন্ম সনদ, নাগরিকত্ব সনদ, এসএসসি (প্রযোজ্যক্ষেত্রে) সনদ, ঠিকানার সমর্থনে ইউটিলিটি বিলের কপি বা বাড়ী ভাড়া বা হোল্ডিং ট্যাক্সের রশিদের কপিসহ আবেদন করতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট ফর্মসমূহ পূরণ করতে হবে।

৩। প্রশ্নঃ আমি ২০০৭/২০০৮ অথবা ২০০৯/২০১০ সালে ভোটার রেজিস্ট্রেশন করেছি কিন্তু সেই সময় আইডি কার্ড গ্রহণ করিনি। এখন কিভাবে আইডি কার্ড পেতে পারি?
উত্তরঃ আপনি আপনার ভোটার রেজিস্ট্রেশনের সময় প্রদত্ত প্রাপ্তি স্বীকার পত্রটি নিয়ে যে স্থানে ভোটার হয়েছেন সেই এলাকার উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করুন। যদি সেখানেও না পাওয়া যায় তাহলে প্রাপ্তি রশিদে উপজেলা নির্বাচন অফিসারের মন্তব্যসহ স্বাক্ষর ও সিল দিয়ে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে যোগাযোগ করা যাবে।

৪। প্রশ্নঃ ভোটার তালিকার নামের সাথে বিভিন্ন খেতাব, পেশা, ধর্মীয় উপাধি, পদবী ইত্যাদি যুক্ত করা যাবে কিনা?
উত্তরঃ ভোটার তালিকার ডাটাবেজে শুধুমাত্র নাম সংযুক্ত করা হয়, কোন উপাধি বা অর্জিত পদবী তাতে সংযুক্ত করার অবকাশ নাই।

৫। প্রশ্নঃ কোথা হতে ID Card সংগ্রহ করা যাবে?
উত্তরঃ যে এলাকায় ভোটার রেজিস্ট্রেশন করেছেন সেই এলাকার উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিস থেকে ID Card সংগ্রহ করা যাবে।

৬। প্রশ্নঃ আমি বিদেশে চলে যাব। আমার কার্ড কি অন্য কেউ উত্তোলন করতে পারবে?
উত্তরঃ হ্যাঁ । আপনার ক্ষমতা প্রাপ্ত প্রতিনিধির যথাযথ ক্ষমতাপত্র ও প্রাপ্তি স্বীকারপত্র (Authorization Letter) নিয়ে তা সংগ্রহ করাতে পারবে।

৭। প্রশ্নঃ কার্ডে ইচ্ছাকৃত ভুল তথ্য দিলে কি হবে?
উত্তরঃ জেল বা জরিমানা অথবা উভয় দন্ডে দণ্ডিত হতে পারে।

৮। জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ১৩ আবার কারো ১৭ কেন?
উত্তরঃ ২০০৮ এর পরে যত আইডি কার্ড প্রিন্ট করা হচ্ছে বা পুণঃ তৈরি হচ্ছে সে সকল কার্ডের নম্বর ১৭ ডিজিট হয়ে থাকে।

৯। প্রশ্নঃ বিভিন্ন দলিলে আমার বিভিন্ন বয়স/নাম আছে। কোনটা ভোটার রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে?
উত্তরঃ এসএসসি অথবা সমমানের পরীক্ষার সনদে উল্লেখিত বয়স ও নাম। ভবিষ্যতে ৫ম/৮ম সমাপনী পরীক্ষার সনদ ও গ্রহণযোগ্য হবে।লেখাপড়া না জানা থাকলে জন্ম সনদ,পাসপোর্ট,ড্রাইভিং লাইসেন্স দিয়ে ও আবেদন করা যাবে।

১০। প্রশ্নঃ আঙ্গুলের ছাপ দিয়ে কি ডুপ্লিকেট এন্ট্রি সনাক্ত করা সম্ভব?
উত্তরঃ হ্যাঁ, সনাক্ত করা সম্ভব।

১১। প্রশ্নঃ এক ব্যক্তির পক্ষে কি একাধিক নামে ও বয়সে একাধিক কার্ড পাওয়া সম্ভব?
উত্তরঃ না। একজন একটি মাত্র কার্ড করতে পারবেন। তথ্য গোপন করে একাধিক স্থানে ভোটার হলে কেন্দ্রীয় সার্ভারে আঙুলের ছাপ দ্বারা তা ধরা পড়বে এবং তার বিরুদ্ধে মামলা হবে।

১২। প্রশ্নঃ নতুন ভোটার হওয়ার ক্ষেত্রে কি কি কাগজ পত্রাদি প্রয়োজন?
উত্তরঃ জন্ম নিবন্ধন সনদ, এস,এস,সি বা সমমানের পরীক্ষা পাসের সনদ (যদি থাকে), ঠিকানা প্রমানের জন্য কোন ইউটিলিটি বিলের কপি, নাগরিক সনদ, বাবা-মা এবং বিবাহিত হলে স্বামী/স্ত্রীর NID কার্ডের ফটোকপি, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স, TIN নম্বর (যদি থাকে)।

১৩। প্রশ্নঃ আমি খুব দরিদ্র ও বয়স ১৮ বছরের কম। ১৮ বছরের উপরে বয়স দেখিয়ে একটি ID Card পেলে গার্মেন্টেস ফ্যাক্টরিতে বা অন্য কোথাও চাকুরী পেতে পারি। মানবিক কারণে এই পরিস্থিতি বিবেচনা করা যায় কি?
উত্তরঃ না। ১৮ বছর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।মানবিক বিবেচনার কোন সুযোগ নেই।

১৪। প্রশ্নঃ আমি ভুলে দু’বার রেজিস্ট্রেশন করে ফেলেছি এখন কি করবো?
উত্তরঃ যত দ্রুত সম্ভব বিষয়টি সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচন অফিসে লিখিতভাবে ক্ষমা প্রার্থনা জানান। বর্তমানে Finger Print Matching কার্যক্রম চলছে। অচিরেই সকল Duplicate Entry সনাক্ত করা হবে। উল্লেখ্য, যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

১৫। প্রশ্নঃ ID Card আছে কিন্তু ২০০৮ এর সংসদ নির্বাচনের সময় ভোটার তালিকায় নাম ছিল না। এরূপ সমস্যা সমাধানের উপায় কি?
উত্তরঃ অবিলম্বে NID Registration Wing/ উপজেলা/ জেলা নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করুন।

১৬। প্রশ্নঃ একজনের কার্ড অন্যজন সংগ্রহ করতে পারবে কিনা?
উত্তরঃ ক্ষমতাপত্র ও প্রাপ্তিস্বীকার রশিদ নিয়ে আসলে সংগ্রহ করা যাবে।

১৭। প্রশ্নঃ আপনারা বিভিন্ন ফরমের কথা বলেছেন? এগুলো কোথায় পাওয়া যাবে?
উত্তরঃ NID Registration Wing/উপজেলা/জেলা নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করে সংগ্রহ করা যাবে অথবা Website : http://www.ecs.gov.bd বা http://www.nidw.gov.bd থেকে ডাউন-লোড করা যাবে।

১৮। প্রশ্নঃ এই সমস্ত ফরমের জন্য কোন মূল্য পরিশোধ করতে হয় কি না?
উত্তরঃ না।

জাতীয় পরিচয়পত্র হারিয়ে গেলে করণীয়

১। প্রশ্নঃ কার্ডের তথ্য কিভাবে সংশোধন করা যায়?
উত্তরঃ এনআইডি রেজিস্ট্রেশন উইং/উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে ভুল তথ্য সংশোধনের জন্য আবেদন করতে হবে। সংশোধনের পক্ষে পর্যাপ্ত উপযুক্ত দলিলাদি আবেদনের সাথে সংযুক্ত করতে হবে।

২। প্রশ্নঃ কার্ডে কোন সংশোধন করা হলে তার কি কোন রেকর্ড রাখা হবে?
উত্তরঃ সকল সংশোধনের রেকর্ড সেন্ট্রাল ডাটাবেজে সংরক্ষিত থাকে।

৩। প্রশ্নঃ ভুলক্রমে পিতা/স্বামী/মাতাকে মৃত হিসেবে উল্লেখ করা হলে সংশোধনের জন্য কি কি সনদ দাখিল করতে হবে?
উত্তরঃ জীবিত পিতা/স্বামী/মাতাকে ভুলক্রমে মৃত হিসেবে উল্লেখ করার কারণে পরিচয়পত্র সংশোধন করতে হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয়পত্র দাখিল করতে হবে।

৪। প্রশ্নঃ আমি অবিবাহিত। আমার কার্ডে পিতা না লিখে স্বামী লেখা হয়েছে। কিভাবে তা সংশোধন করা যাবে?
উত্তরঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে আপনি বিবাহিত নন মর্মে প্রমাণাদিসহ আবেদন করতে হবে।

৫। প্রশ্নঃ বিয়ের পর স্বামীর নাম সংযোজনের প্রক্রিয়া কি?
উত্তরঃ নিকাহনামা ও স্বামীর আইডি কার্ড এর ফটোকপি সংযুক্ত করে NID Registration Wing/ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/ থানা/ জেলা নির্বাচন অফিস বরাবর আবেদন করতে হবে।

৬। প্রশ্নঃ বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে গেছে। এখন ID Card থেকে স্বামীর নাম বিভাবে বাদ দিতে হবে?
উত্তরঃ বিবাহ বিচ্ছেদ সংক্রান্ত দলিল (তালাকনামা) সংযুক্ত করে NID Registration Wing/সংশ্লিষ্ট উপজেলা/ থানা/ জেলা নির্বাচন অফিসে আবেদন করতে হবে।

৭। প্রশ্নঃ বিবাহ বিচ্ছেদের পর নতুন বিবাহ করেছি এখন আগের স্বামীর নামের স্থলে বর্তমান স্বামীর নাম কিভাবে সংযুক্ত করতে পারি?
উত্তরঃ প্রথম বিবাহ বিচ্ছেদের তালাকনামা ও পরবর্তী বিয়ে কাবিননামাসহ সংশোধন ফর্ম পূরণ করে আবেদন করতে হবে।

৮। প্রশ্নঃ আমি আমার পেশা পরিবর্তন করতে চাই কিন্তু কিভাবে করতে পারি?
উত্তরঃ এনআইডি রেজিস্ট্রেশন উইং/উপজেলা/জেলা নির্বাচন অফিসে প্রামাণিক কাগজপত্র দাখিল করতে হবে। উলেখ্য, আইডি কার্ডে এ তথ্য মুদ্রণ করা হয় না।

৯। প্রশ্নঃ আমার ID Card এর ছবি অস্পষ্ট, ছবি পরিবর্তন করতে হলে কি করা দরকার?
উত্তরঃ এক্ষেত্রে নিজে সরাসরি উপস্থিত হয়ে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে আবেদন করতে হবে।

১০। প্রশ্নঃ নিজ/পিতা/স্বামী/মাতার নামের বানান সংশোধন করতে আবেদনের সাথে কি কি দলিল জমা দিতে হবে?
উত্তরঃ এসএসসি/সমমান সনদ, জন্ম সনদ, পাসপোর্ট, নাগরিকত্ব সদন, চাকুরীর প্রমাণপত্র, নিকাহ্‌নামা, পিতা/স্বামী/মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হয়।

১১। প্রশ্নঃ নিজের ডাক নাম বা অন্য নামে নিবন্ধিত হলে সংশোধনের জন্য আবেদনের সাথে কি কি দলিল জমা দিতে হবে?
উত্তরঃ এসএসসি/সমমান সনদ, বিবাহিতদের ক্ষেত্রে স্ত্রী/ স্বামীর জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি, ম্যাজিট্রেট কোর্টে সম্পাদিত এফিডেভিট ও জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি,ওয়ারিশ সনদ,ইউনিয়ন/পৌর বা সিটি কর্পোরেশন হতে আপনার নাম সংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্র।

১২। প্রশ্নঃ পিতা/মাতাকে ‘মৃত’ উল্লেখ করতে চাইলে কি কি সনদ দাখিল করতে হয়?
উত্তরঃ পিতা/মাতা/স্বামী মৃত উল্লেখ করতে চাইলে মৃত সনদ দাখিল করতে হবে।

১৩। প্রশ্নঃ ঠিকানা কিভাবে পরিবর্তন/ সংশোধন করা যায়?
উত্তরঃ শুধুমাত্র আবাসস্থল পরিবর্তনের কারনেই ঠিকানা পরিবর্তনের জন্য বর্তমানে যে এলাকায় বসবাস করছেন সেই এলাকার উপজেলা/ থানা নির্বাচন অফিসে ফর্ম ১৩ এর মাধ্যমে আবেদন করা যাবে। তবে একই ভোটার এলাকার মধ্যে পরিবর্তন বা ঠিকানার তথ্য বা বানানগত কোন ভুল থাকলে সাধারণ সংশোধনের আবেদন ফরমে আবেদন করে সংশোধন করা যাবে।

১৪। প্রশ্নঃ আমি বৃদ্ধ ও অত্যন্ত দরিদ্র ফলে বয়স্ক ভাতা বা অন্য কোন ভাতা খুব প্রয়োজন। কিন্তু নির্দিষ্ট বয়স না হওয়ার ফলে কোন সরকারী সুবিধা পাচ্ছি না। লোকে বলে ID Card –এ বয়সটা বাড়ালে ঐ সকল ভাতা পাওয়া যাবে?
উত্তরঃ ID Card এ প্রদত্ত বয়স প্রামাণিক দলিল ব্যতিত পরিবর্তন সম্ভব নয়। উল্লেখ্য, প্রামানিক দলিল তদন্ত ও পরীক্ষা করে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

১৫। প্রশ্নঃ একই পরিবারের বিভিন্ন সদস্যের কার্ডে পিতা/মাতার নাম বিভিন্নভাবে লেখা হয়েছে কিভাবে তা সংশোধন করা যায়?
উত্তরঃ সকলের কার্ডের কপি ও সম্পর্কের বিবরণ দিয়ে NID Registration Wing/ উপজেলা/ জেলা নির্বাচন অফিস বরাবর পর্যাপ্ত প্রামাণিক দলিলসহ আবেদন করতে হবে।

১৬। প্রশ্নঃ আমি পাশ না করেও অজ্ঞতাবশতঃ শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি বা তদুর্দ্ধ লিখেছিলাম এখন আমার বয়স বা অন্যান্য তথ্যাদি সংশোধনের উপায় কি?
উত্তরঃ আপনি ম্যাজিট্রেট আদালতে এস.এস.সি পাশ করেননি, ভুলক্রমে লিখেছিলেন মর্মে হলফনামা করে এর কপিসহ সংশোধনের আবেদন করলে তা সংশোধন করা যাবে।

১৭। প্রশ্নঃ ID Card এ অন্য ব্যক্তির তথ্য চলে এসেছে। এ ভুল কিভাবে সংশোধন করা যাবে?
উত্তরঃ ভুল তথ্যের সংশোধনের পক্ষে পর্যাপ্ত দলিল উপস্থাপন করে NID Registration Wing/সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে আবেদন করতে হবে।এক্ষেত্রে বায়োমেট্রিক যাচাই করার পর সঠিক পাওয়া গেলে সংশোধনের প্রক্রিয়া করা হবে।

১৮। প্রশ্নঃ রক্তের গ্রুপ অন্তর্ভূক্ত বা সংশোধনের জন্য কি করতে হয়?
উত্তরঃ রক্তের গ্রুপ অন্তর্ভুক্ত বা সংশোধন করতে রক্তের গ্রুপ নির্ণয়কৃত ডায়াগনোসটিক রিপোর্ট দাখিল করতে হয়।

১৯। প্রশ্নঃ বয়স/ জন্ম তারিখ পরিবর্তন করার প্রক্রিয়া কি?
উত্তরঃ এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার সনদের সত্যায়িত ফটোকপি আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে। এসএসসি বা সমমানের সনদ প্রাপ্ত না হয়ে থাকলে সঠিক বয়সের পক্ষে সকল দলিল উপস্থাপনপূর্বক আবেদন করতে হবে। আবেদনের পর বিষয়টি তদন্তপূর্বক প্রয়োজনে ডাক্তারী পরীক্ষা সাপেক্ষে সঠিক নির্ধারণ করে প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হবে।

২০। প্রশ্নঃ স্বাক্ষর পরিবর্তন করতে চাই, কিভাবে করতে পারি?
উত্তরঃ নতুন স্বাক্ষর এর নমুনাসহ গ্রহণযোগ্য প্রমাণপত্র সংযুক্ত করে আবেদন করতে হবে। তবে স্বাক্ষর একবারই পরিবর্তন করা যাবে।

২১। প্রশ্নঃ আমার জন্ম তারিখ যথাযথভাবে লেখা হয়নি, আমার কাছে প্রামাণিক কোন দলিল নেই, কিভাবে সংশোধন করা যাবে?
উত্তরঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/জেলা নির্বাচন অফিসে আবেদন করতে হবে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

২২। প্রশ্নঃ একটি কার্ড কতবার সংশোধন করা যায়?
উত্তরঃ এক তথ্য শুধুমাত্র একবার সংশোধন করা যাবে। তবে যুক্তিযুক্ত না হলে কোন সংশোধন গ্রহণযোগ্য হবে না।

১। প্রশ্নঃ ID Card হারিয়ে গিয়েছে। কিভাবে নতুন কার্ড পেতে পারি?
উত্তরঃ নিকটতম থানায় জিডি করে জিডির মূল কপিসহ সংশ্লিষ্ট উপজেল/থানা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়ে অথবা ঢাকায় জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে আবেদন করতে হবে।

২। প্রশ্নঃ হারানো আইডি কার্ড পেতে বা তথ্য সংশোধনের জন্য কি কোন ফি দিতে হয়?
উত্তরঃ এখনো হারানো কার্ড পেতে কোন প্রকার ফি দিতে হয় না। তবে ভবিষ্যতে হারানো আইডি কার্ড পেতে/সংশোধন করতে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফি ধার্য করা হবে।

৩। প্রশ্নঃ হারানো ও সংশোধন একই সাথে করা যায় কি?
উত্তরঃ হারানো ও সংশোধন একই সাথে সম্ভব নয়। আগে হারানো কার্ড তুলতে হবে, পরবর্তীতে সংশোধনের জন্য আবেদন করা যাবে।

৪। প্রশ্নঃ হারিয়ে যাওয়া আইডি কার্ড কিভাবে সংশোধন করব?
উত্তরঃ প্রথমে হারানো আইডি কার্ড উত্তোলন করে তারপর সংশোধনের আবেদন করতে হবে।

৫। প্রশ্নঃ প্রাপ্তি স্বীকারপত্র / স্লিপ হারালে করণীয় কি?
উত্তরঃ স্লিপ হারালেও থানায় জিডি করে সঠিক ভোটার আইডি নাম্বার দিয়ে হারানো কার্ডের জন্য আবেদন পত্র জমা দিতে হবে।

৬। প্রশ্নঃ প্রাপ্তি স্বীকারপত্র / ID Card হারিয়ে গেছে কিন্তু কোন Document নেই বা NID নম্বর/ ভোটার নম্বর/ স্লিপের নম্বর নেই, সে ক্ষেত্রে কি করণীয়?
উত্তরঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/ থানা/ জেলা নির্বাচন অফিস থেকে Voter Number সংগ্রহ করে NID Registration Wing/ উপজেলা/ থানা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়ে আবেদন করতে হবে।

৭। প্রশ্নঃ জাতীয় পরিচয়পত্রে নেই কিন্তু তথ্য পরিবর্তিত হয়েছে এমন তথ্যাদি পরিবর্তন কিভাবে সম্ভব?
উত্তরঃজাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে এ সংক্রান্ত কাগজপত্রাদি সহ আবেদন করলে যাচাই-বাছাই করে বিবেচনা করা হবে।

৮। প্রশ্নঃ জাতীয় পরিচয় পত্রের মান বর্তমানে তেমন ভালো না এটা কি ভবিষ্যতে উন্নত করার সম্ভাবনা আছে?
উত্তরঃ হ্যাঁ। আগামীতে স্মার্ট আইডি কার্ড প্রদানের জন্য কাযর্ক্রম চলমান আছে যাতে অনেক উন্নত ও আধুনিক ফিচার সমৃদ্ধ থাকবে এবং মান অনেক উন্নত হবে।

১। প্রশ্নঃ আমি যথা সময়ে ভোটার হিসেবে Registration করতে পারিনি। এখন কি করা যাবে?
উত্তরঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে যথাযথ কারণ উল্লেখপূর্