23/07/2015

09ঃ "কর্পোরেট" নাম্বার বানানোঃ

আপনার মাষ্টার একাউন্ট থেকে "কর্পোরেট" নাম্বার বানাতে, মেসেজ অপশনে গিয়ে IP*01XXXXXXXXX*PIN লিখে সেন্ড করুন Aনাম্বারে। এর পরপরই আমাদের সিষ্টেম কাজ শুরু করবে এবং কিছুক্ষনের মধ্যে আপনার পাঠানো নাম্বারটিতে BTS নাম্বার একটিভ হয়ে যাবে সেই সাথে আপনার মোবাইলে এ সম্পর্কে একটি নিশ্চিত করন SMS পৌছে যাবে।

20/07/2015

এইবার ২০০ এর বেশী লাইকের ফেসবুক পেজের নাম পরিবর্তন করুন খুব সহজেই

ফেসবুক এর একটা সীমাবদ্ধতা ছিলো ২০০+ লাইকের ফেসবুক ফ্যন পেজের নাম পরিবর্তন করা যেতো না।। কিন্তু এখন ফেসবুক অফিশিয়াল ভাবেই ২০০+ লাইকের ফেসবুক পেজের নাম পরিবর্তন করার ব্যবস্থা করে দিয়েছে :) কিন্তু আপনার পেজের লাইক যদি খুব বেশী পরিমানের হয় [৩০ হাজারেরো বেশী ] তাহলে আপনি হয়তো এই পদ্ধতিতে সরাসরি পেজের নাম পরিবর্তন করতে পারবেন না কীভাবে ২০০+ লাইকের ফেসবুক পেজের নাম পরিবর্তন করবেন ঃ
১। প্রথমেই নিচের লিংকে যান https://www.facebook.com/*****/info
[***** এর জায়গায় আপনার পেজের ইউজার নেম দিন] এই লিংক এ গেলে আপনি আপনার পেজের "Page info " অপশন পাবেন
২। পেজ ইনফো এর নিচের দিকে "Name" এর পাশে Edit অপশন পাবেন... সেটায় ক্লিক করুন অথবা সরাসরি নিচের লিংক ফলো করুন => https://www.facebook.com/******/info?section=name&view
[***** এর জায়গায় আপনার পেজের ইউজার নেম দিন] Chnage-facebook-page-name-which-has-200-
৩।তারপর বক্সে নতুন নাম দিয়ে "Save Changes " দিন... আপনার পেজের নাম পরিবর্তন হয়ে যাবে :) যদি আপনার পেজের লাইক ৩০ হাজারের ও বেশী হয় তবে আপনি হয়তো এই অপশন টা পাবেন না... তবে আপনার পেজ এর নাম চেঞ্জ করার জন্য ফেসবুকে আবেদন করতে পারেন সে জন্য আপনার Page Info এ Name অপশন এর পাশ থেকে "Request Change" অপশন টা সিলেক্ট করতে হবে এবং পরের পেজ এ গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে ফেসবুকের কাছে সাবমিট করতে হবে। Chnage-facebook-page-name-which-has-200- ফেসবুক টিম আপনার আবেদন পর্যবেক্ষণ করবে এবং নতুন কোন তথ্য চাইলে পরবর্তীতে জানতে চাইবে ... যেটা আপনাকে তাদের দিতে হবে । এইভাবে আপনি ২০০ লাইক হওয়ার পর ও আপনার ফেসবুক পেজের নাম পরিবর্তন করতে পারবেন :)

17/07/2015

WI-FI hacking Tricks, for Pc user.

অনেক সাধনার পর খুঁজে পেলাম Wi-Fi হ্যাকের পদ্ধতি। এতদিন অনেকস্থান থেকে অনেক ধরনের পদ্ধতি পেয়েছি কিন্তু কোনটাই ভালোভাবে কাজ করেনি। কিন্তু এবার যে পদ্ধতিটা পেয়েছি সেটা একদম ১০০% কাজ করে!! এইরকম যদি হয় আপনি কোন অফিসে বা স্থানে গিয়েছেন যেখানে আপনার ল্যাপটপে কর্তৃপক্ষ পাসওয়ার্ড সেট করে দিয়েছে কিন্তু আপনি জানেন না! বা আপনাকে দেয়া হয়নি সেই ক্ষেত্রে এই পদ্ধটিতি দারুন কাজ করে। এক্ষেত্রে আপনাকে একটু কষ্ট করে সেই ওয়াই ফাই নেটওয়ার্কের SSID টা জানতে হবে। আর এটা খুঁজে বের করা খুবই সহজ। যেকোন ওয়াইফাই নেটওয়ার্কের যে নামটি থাকে তার শেষের ওয়ার্ড/ সংখ্যাগুলো হচ্ছে তার SSID. এবার যেটা করতে হতে তা স্টেপ বাই স্টেপ ফলো করুনঃ প্রথমে, আপনার উইন্ডোজের RUN এ প্রবেশ করুন। Windows Button+R চাপলে রান এসে যাবে। দ্বিতীয়ত, আপনি সেখানে cmd টাইপ করে এডমিনিষ্ট্রেটর মুডে প্রবেশ করুন। তৃতীয়ত, সেখানে নিচের লেখাটুকু হুবহু টাইপ করুনঃ netsh wlan show profile name=labnol key=clear name=এখানে আপনার নেটওয়ার্কের SSID টাইপ করুন। তারপর এন্টার বাটন চাপুন চতুর্থত, সেখানে দেখুন আপনার ওয়াইফাই নেটওয়ার্কের নাম এবং পাসওয়ার্ড শো করবে। (যদি কোন কারনে পাসওয়ার্ড না শো করে তবে বুঝতে হবে আপনি CMD তে এডমিনিষ্ট্রেটর মুডে প্রবেশ করেননি।) যদি কোন কারনে পদ্ধতিটি কাজ না করে তাহলে পূনরায় টিউনটি খুব মনযোগ সহকারে পড়ুন। তারপর ধাপে ধাপে খুব ঠান্ডা মাথায় স্টেপগুলো ফলো করুন। কোনভাবেই তাড়াহুড়ো করবেন না। বিশেষ করে খেয়াল রাখবেন RUN থেকে CMD যেন অবশ্যই অবশ্যই Administrator মুডে ওপেন করা হয়। তাহলে সব ঠিকঠাকভাবে কাজ করবে।
(বিদ্রঃ আপনি ওয়াইফাই কানেক্টেড না এইরকম নেটওয়ার্কের পাসওয়ার্ড হ্যাক করা কখনই সম্ভব নয়। আপনি একবার ভেবে দেখুন, আপনার ওয়াইফাই যদি অন্য একজন কোন পরিশ্রম ছাড়াই বা আপনাকে পে করা ছাড়াই ব্যবহার করে তখন আপনার মনে কেমন লাগবে??)

16/07/2015

আর নয় এ্যান্টিভাইরাস, আপনার পিসি ব্যবহার করুন কোন রকম ভাইরাসের আক্রমন ছাড়া। না দেখলে মিস!

আজকাল এ্যান্টিভাইরাস ছাড়া কোন কম্পিউটার কল্পনা করা যায় না। কিন্তু এই এ্যন্টিভাইরাস গুলোর আছে অনেক সমস্যা। প্রায় সব কয়টি এন্টিভাইরাসই কম্পিউটারের স্পীড কিছুটা হলেও স্লো করে দেয়। আবার এদেরকে নিয়মিত ইন্টারনেট হতে আপডেট দিতে হয়। আবার এদের আছে ফুলভার্সন, হাফভার্সন, ক্রাক, কি-জেন কত কি। কি দরকার এত ঝামেলা। তাহলে এখন থেকে ঝামেলা ছাড়াই ব্যবহার করুন আপনার প্রিয় কম্পিউটারটি। আসলে আমি এখানে ডিপফ্রিজ নিয়ে কথা বলব, যা এমনি একটি সফটওয়ার যার মাধ্যমে উইন্ডোস নিরাপদ থাকবে ১০০% । কম্পিউটারের স্পীড কখনোই স্লো হবে না । এ ছাড়া ডিপফ্রিজথাকলে ভাইরাস স্কেন করার ঝামেলও থাকে না । কি মজা! এইটা কি আসলেই সত্যি!!!!!!!!!! হ্যা আসলেই সত্যি।
ডিপফ্রিজ কিভাবে কাজ করে ?
ডিপফ্রিজ ইন্সটলের পর আপনি যদি কম্পিউটারে কোন ফাইল সেভ করে রিস্টার্ট দেন তাহলে সে ফাইলটি আর থাকবে না । কম্পিউটারে জমা আছে এমন কোনো ফাইল ডিলিট করে রিস্টার্ট করলে সে ফাইলটি আবার ফিরে পাওয়া যাবে । এক কথায় ডিপফ্রিজ করার পরবর্তী অবস্থায় কম্পিউটারের যতকিছুই পরিবর্তন করুন না কেন, রিস্টার্ট করার পর কম্পিউটার আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসবে । একারণে কম্পিউটার চালু আবস্থায় যদি কখনো ভাইরাস ঢুকে পড়ে রিস্টার্ট করার পর সেটি আর থাকে না । তাই এই পদ্ধতিতে আপনি ভাইরাস নিয়ে নিশ্চিন্তে গবেষনা করতে পারেন। অর্থাৎ আপনি যদি কোন হ্যাকিং সফটওয়্যার নিয়ে গবেষনা করতে চান, তাহলে ডিপফ্রিজ তো আপনাকেই খুজছে।
ডিপফ্রিজ সেটআপ প্রনালী :
*.যে ড্রাইভে উইন্ডোসসেটআপকরা আছে সে ড্রাইভে ডিপফ্রিজসেটআপকরুন অর্থাৎ সি ড্রাইভে ইন্সটল করুন।
*.কম্পিউটার নতুন করে সেটআপ সহ সকল প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ইন্সটল দেবার পর ডিপফ্রিজসেটআপকরে নেয়া ভাল । ডিপফ্রিজসেটআপকরার সময় কম্পিউটারের সব কয়টি ড্রাইভ ( C drive, D drive, E driver… ) টিক চিন্থ সহকারে দেখা যাবে । কম্পিউটারের যে ড্রাইভে উইন্ডোস setup করা আছে সে ড্রাইভ ছাড়া বাকী ড্রাইভগুলোর টিক চিন্হ সরিয়ে দিয়ে সেটাপ কমপ্লিট করুন । এতে সুবিধা হবে এই যে, যে ড্রাইভ গুলো আপনি টিক চিন্হ দিবেন না সেগুলো তে ডিপফ্রিজ এ্যাকটিভেট হবে না। ফলে আপনি সি ড্রাইভ বাদে সকল ড্রাইভে যেকোন ফাইল সেভ করতে পারবেন। ফাইল সেভ করার প্রয়োজনা না হলে (যেমন অফিসের পিসির বা সাইবার ক্যাফের জন্য) সব কয়টি পার্টিশানে ডীপ ফ্রীজ সেটাপ করতে পারেন ।
*.সেটাপ শেষ করার সাথে সাথে কম্পিউটার রিস্টার্ট হবে । রিস্টার্ট হবার পর একটি ডায়ালগ বক্স আসবে । Ok করে পাসওয়ার্ড দিয়ে লক করুন ।
*. ডিপফ্রিজ সেটআপ করার পর সেটিকে আর রিমোভ করা যাবে না ।তাই সেটাপ করার আগে ভাল করে এর ব্যবহার জেনে নিন । প্রয়োজনে আপনি ডিপফ্রিজ ওপেন করে প্রয়োজনীয় ফাইল সেভ আথবা সেটাপ করতে পারেন অথবা যে ড্রাইভে ফ্রিজ করা নেই সে ড্রইভে প্রয়োজনীয় ফাইল সেভ করতে পারেন ।
*.সিফট কী চেপে ধরে টাস্কবারে ডিপফ্রিজএর আইকনে ক্লিক করুন । একটি ডায়ালগ বক্য আসবে । পাসওয়ার্ড দিয়ে ok করুন ।
*.Boot thawed সিলেক্ট করে দু’বার ok করে রিস্টার্ট করুন ।
*.প্রয়োজনীয় ফাইল সেটাপ অথবা সেভ করে আগের নিয়মে ডিপফ্রিজওপেন করে frozen সিলেক্ট করুন । রিস্টার্ট করার পর কম্পিউটার আবার ফ্রীজ অবস্থায় ফিরে আসবে । ডিপফ্রিজওপেন করার পর যে সমস্ত ফাইল সেভ করতে চান সেগুলোতে যদি ভাইরাস থাকে তাহলে ডিপফ্রিজ ব্যবহার করে কোন লাভ হবে না । কোন ফাইল সেভ করতে চাইলে সেটিকে এন্টিভাইরাস দিয়ে স্কেন করে ভাইরাস রিমোভ করে নিন । এর একটা বিশেষ সুবিধা হলো যে কিছু কিছু ট্রায়াল সফটওয়ার আছে যেগুলোক ১ সপ্তাহ , ১০ দিন, ২০ দিন, ১ মাস পর্যন্ত ব্যবহার করা যায় । ঐ সব সফ্টওয়ার সেটাপ করার পর ডিপফ্রিজ করলে সেটিকে সব সময় ব্যবহার করা যাবে ।
ডাউনলোড DeepFreeze 5.০.zip ফুল ভার্সন।
তবে নতুন ব্যবহারকারীরা এটি ব্যবহারের আগে নিচের কমেন্ট গুলো একটু পড়ে নিন। আর আমি এটি সাফল্যের সাথে এক্সপি অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহার করছি। অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেমে ট্রাই করি নাই।

15/07/2015

Android Phone এর App এর মাঝে বিরিক্তিকর Ads আপনার আমার মেজাজ খারাপ করে দেয়। এবার সমাধান নিয়ে যান & চিরমুক্তি পান এটি থেকে

আপনারা সবাই কেমন আছেন, আশা করি খুব ভাল আছেন এবং আগামি তে যেন সব সময় ভালো থাকেন BiDDUT.MyWapBlog.Com পক্ষ থেকে এই কামনা রইলো। প্রথমেই নিচের লিনক থেকে App টি নামিয়ে নিন।
Click Here Download
Softwere টি Install করে নিন। এবার Data con. চালু রেখে App টা Open করুন › Download files and apply ad blocking লেখায় Click করে Success লেখা আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।

13/07/2015

আপনের ব্লগে কেঊ এলে ।তাকে স্বাগত করুন সুন্দর গান শুনিয়ে।

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম আসসালামু আলাইকুম, সবাইকে আমার ভাল লাগা ভালবাসা দিয়ে আজকের টিউন শুরু করছি। কেমন আছেন সবাই? আশা করি মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে খুবই ভাল আছেন। আপনি ভাল থাকবেন ও পৃথিবীর সকল মানুষ(মুসলমানদের) জন্য দোআ করবেন। গত কাল রাতে বসে বসে আমার ব্লগে একটা Gadget যোগ করি।ভালই!!! সাথে Blogger সাকিল ভাইয়ের সাহায্য নিয়েছি।আর Gadget-টা ভালো লাগলো বলে সবার সাথে শেয়ার করলাম। Gadget টা হোল, Blogg-er Background-এ Autoplay Music দেয়া। See Live Demo ! কারো মন ভালো করতে চাইলে এর আর কোন জুড়ি নেই।আমি বাস্তব প্রমান।কিন্তু আবার কিছু প্রতিবন্ধকতাও আছে, যেমন- . রাতে কেও সাইট ভিজিট করলে সমস্যা তৈরি হবে। . হয়ত ব্লগার নিজের পসন্দ মতো গান শোনছে এর মাঝে আপনার সাইট-এর গান তার Mode নষ্ট করে দিতে পারি। . তাড়াতাড়ি গান বন্ধের জন্য সাইট ত্যাগ করতে পারে ফলে আপনি তাকে হারাতে পারেন। তবুও নিজের পসন্দ সবার সাথে শেয়ার করার ভালো একটা মাধ্যম হোল এই ট্রিক্স।। কিভাবে Background-এ যোগ করবেন Autoplay Music: খুব সহজ, শধু আমাকে অনুসরন করুন- QqlOz.pngb8sXV.pngC9438.png7sgxO.pngCD5uL.png< embed style=”width:1px; height:1px; visibility:hidden” autostart=”true”loop=”true”src=”URL of music“/> উপরের কোডটা পোস্ট করে Save করুন.তবে এখানেURL of musicএর জায়গায় গানেরURlদিবেন। গান পাবেন www.beemp3.com আরloop=”true”হচ্ছে যদি গান্তা বার বার সুনাতে ছান।একবারই চাইলে “true”জায়গায় falseলিখে দিন MYomJ.png1_thumb%25255B4%25255D.png?imgmax=800 ব্যাস ক্সজ শেষ। এবার বের হয়ে আসুন আর কশ্তের ফল নেজে ভগ করুন আর অন্যকে আনন্দ দিন। এটার আরও বিস্তারিত জানার জন্য যান এই লিংক যদিও ইংলিশ।

একটি ফ্রি OCR (optical character recognition) সফটওয়্যার, যার মাধ্যমে সহজেয় ছবি থেকে টেক্সট এ রূপান্তর করুন ।

বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ছবিতে আমরা লেখা পড়ে থাকি, এবং সেই লেখা গুলো সংরক্ষন করতে ইচ্ছে করে । হয়তবা সেই লেখা গুলো মাক্রসফট ওয়ার্ডে বা অন্য কোনো টেক্সট এডিটরের মাধমে সংরক্ষন করতে ইচ্ছে করে ।কিন্তু সমস্যা হচ্ছে ছবি থেকে তো আর সহজে লেখা কপি করা যাই না । যাইহোক মন খারাপ করার কিছু নাই, কেনোনা ইচ্ছে থাকলে উপায় তো অবশ্যই হবে । তেমনি একটা উপায়ের (সফটওয়্যার) কথা বলবো আপনাদের আজকে যার মাধ্যমে আপনি সহজেই ছবি থেকে লিখাকে সহজেই বাহির করতে পারবেন । তো চলুন দেখা যাক কি করে কি হয় । প্রথমেই সফটয়্যারটির নাম বলে দেই, সফটও্যারটির নাম হচ্ছে … Capture2Text. প্রথমে সফটওয়্যারটি উপরের লিঙ্ক থেকে নামিয়ে নিন এবং এরপরে সফটওয়্যারটিকে আনজিপ করুন । 73433 এরপরে নীচের ধাপগুলো অনুশরণ করুন ।
১ম ধাপ সফটওয়্যারটি আনজিপ করার পরে Capture2Text ফোল্ডারে ঢুকুন ।
২য় ধাপ এইবারে Capture2Text.exe ফাইল টি রান করুন । (কোনো ইন্সটলেশনের প্রয়োজন নাই) 73433
৩য় ধাপ এইবারে সিস্টেম ট্রে তে গিয়ে Capture2Text আইকনের উপরে মাউসের ডান বাটন চাপুন । এবং সেটিংসে গিয়ে OCR এর ভাষা পরিবর্তন করুন । ( Settings –>OCR Language –> English) 73433
৪র্থ ধাপ এইবারে মূল কাজ । আপনি যেই ছবি থেকে লিখা সংগ্রহ করতে চান তা আপনার স্ক্রীনে আনুন (খেয়াল রাখাবেন লিখা যেনো অবশ্যই দেখা যায়) । এইবারে আপনার মাউস কার্সর ওই লিখার নীচের দিকে বা উপরের দিকে কোনাকোনি করে রাখুন, যাতে করে লিখার যে অংশটুকু সিলেক্ট করতে চাচ্ছেন তা সম্পূর্ণ রূপে হয় । এবং কীবোর্ডের Win Q বোতাম চাপুন, যা আপনার ক্লিপিং প্রক্রিয়াকে শুরু করবে । এইবারে যে অংশটুকু সিলেক্ট করতে চাচ্ছিলেন তা সিলেক্ট করুন এবং কার্সর ছেড়ে দিন । 73433 এর ফলে যা আপনি সিলেক্ট করছেন তা আপনার স্ক্রীনের বাম পার্শে লিখা আকারে উপরের দিকে দেখাবে ।
৫ম ধাপ এর ফলে ক্লিপিং প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে এবং লিখা গুলো ক্লিপিংবোর্ডে সংরক্ষন হবে । সবশেষে যা করতে হবে তা হলো যে কোনো একটি টেক্সট এডিটর নিন এবং পেষ্ট করুন । 73433 কাজ শেষ, দেখবেন আপনার লিখা গুলো টেক্সট এডিটরে পেষ্ট হয়ে গেছে । একটি কথে বলে রাখা ভালো যে কিছু কিছু লিখা ঠিকমত নাও আসতে পারে, বা একটু অন্য রকমের আস্তে পারে সে ক্ষেত্রে সম্পাদনা করার প্রয়োজন হতে পারে । আজকেই প্রথম আমার এই ব্লগে লেখা । আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে । সবাই ভালো থাকবেন এবং সবাইকে ভালো রাখার চেষ্টা করবেন । ধন্যবাদ।