যাই হোক আজকের এটা হছে পিসি হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ নিয়ে । তাহলে নীচে থেকে দেখে নিন আশাকরি আপনারও কাজে আসতে পারে ।
1// প্রশ্নঃ Drive not ready এই ম্যাসেজ আসছে কি করবো ? কারনঃ১) Disk সঠিক ভাবে ইনসার্ট করা নাই । ২) ড্রাইভ টির পাওয়ার কানেকশন বা ডেইজি চেইন টি নষ্ট । সমধানঃ ১) HDD টি সঠিক ভাবে ইনসার্ট করুন । ২) Drive টির পাওয়ার কানেকশন আর ডেইজি চেইন সঠিক ভাবে লাগানো আছে কি না দেখে নিন । 2// প্রশ্নঃ “HARD DISK FAILURE” ? কারনঃ১) HDD টি ফরম্যাট করা নেই । ২) Bios Setup এ HDD configuration ভুল দেয়া আছে । ৩) হার্ড ডিস্ক টি সত্যি সমস্যা যুক্ত । সমধানঃ ১) হার্ড ডিস্ক টি ফরম্যাট আছে কিনা সঠিক ভাবে দেখে নিন । দরকার হলে একটি Low Level অথবা High Level ফরম্যাট দিয়ে দেখুন ? ২) CMOS Setup এ গিয়ে Auto Detection পধতিতে HDD টিকে কনফিগার করে নিন । ৩) হার্ড ডিস্ক কন্ট্রোলার টি খারাপ থাকলে , নতুন একটি কন্ট্রোলার লাগিয়ে দেখুন । 3// প্রশ্নঃ“ERROR READING DRIVE/DIRECTORY C: বা A:/B: “ ? কারনঃডিস্ক এর কোন ড্রাইভ বা ডিরেক্ট রিড করতে না পারে তাহলে এই ধরনের ম্যাসেজ আসতে পারে । সাধারণত যেসব কারনের জন্য ডিস্ক রিড করা যায় না সেগুল নিন্ম রূপঃ ১) ড্রাইভ এর পার্টিশন ফরম্যাট করা হয় না । ২) ড্রাইভ ভাইরাস আক্রান্ত হয়েছে । ৩) ডেইজি চেন খারাপ বা সমস্যা যুক্ত । সমধানঃ ১) ড্রাইভটির পার্টিশন ফরম্যাট করে নিন । ২) এখুন ভাবছেন ডেটা গুলোর কি হবে চিন্তা করবেন না এই ব্লগে অনেক রিকভারি সফটওয়্যার আছে সেগুল ব্যবহার করে আপনার ডেটা ফিরিয়ে নিতে পারবেন ।পিসি ভাইরাসজনিত সমস্যা নিরসনে অন্য কোন ভাল পিসি এর অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইন্সটল করে সেই পিসি এর সমস্যা যুক্ত ড্রাইভ টি লাগিয়ে ভাইরাস পরিস্কার করে নিন । ৩) ড্রাইভ এর ডেইজি চেইন টি পরীক্ষা করুন । দরকার হলে নতুন একটি ক্যাবেল লাগিয়ে নিন । 4// প্রশ্নঃহার্ড ডিস্ক বুটিং এর সময় শব্দ করে কিন্তু বুট হয় না ? কারনঃহার্ড ডিস্কে ব্যান্ড ডিস্ক সেক্টর পড়লে সাধারন এই রূপ হয়ে থাকে । সমধানঃ এক্ষেত্রে হার্ড ডিস্ক টিকে low level format করতে হবে । এক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে । তারপরেও হার্ড ডিস্ক ঠিক না হলে ধরে নিতে হবে এর কাজ শেষ মানে হার্ড ডিস্ক পরিবর্তন করে নিতে হবে । 5//প্রশ্নঃ হার্ড ডিস্ক ডিটেক্ট করে কিন্তু পার্টিশন বা ফরম্যাট করা যাছে না ? কারনঃহার্ড ডিস্ক এর ড্রাইভ মেকানিজমে সমস্যা হছে । সমধানঃ হার্ড ডিস্ক টিকে low level format করে নিন । low level format করার পর হার্ড ডিস্কটি ঠিক হয়ে যাবে । low level format করার পরেও যদি না ঠিক হয় তাহলে বুঝে নিতে হবে হার্ড ডিস্ক পরিবর্তন করে নিতে হবে । 6// প্রশ্নঃহার্ড ডিস্ক ডিটেক করে , পার্টিশন বা ফরম্যাট সব কিছু করা যাই কিন্তু Os বা উইন্ডোজ ইন্সটল করা যাছে না ? কারণঃহার্ড ডিস্ক এর ড্রাইভ মেকানিজমে সমস্যা আছে । তবে এক্ষেত্রে হার্ড ডিস্ক সম্পূর্ণ খারাপ হয়ে যাইনি । সমধানঃ হার্ড ডিস্ক টিকে low level format করে নিন । low level format করার পর হার্ড ডিস্ক পার্টিশন এবং ফরম্যাট করে OS ইন্সটল করুন দেখুন কাজ হবে । 7// প্রশ্নঃকম্পিউটারে হার্ড ডিস্ক পেলেও অন্য কম্পিউটারে উইন্ডোজ পায় না ? সমধানঃপ্রথমে দেখে নিন আপনার এবং অন্য মেশিনের সিস্টেম একি কিনা । OS এর ভিন্নতার কারনে এটা হতে পারে । এক্ষেত্রে অন্য মেশিনে BIOS পেলেও উইন্ডোজ পাবেন না । সাধারণত কোন কোন OS ৩২ বিট এবং ৬৪ বিট এর হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে মিন না খেলে OS ইন্সটল না হওয়া টাই স্বাভাবিক । 8// প্রশ্নঃকম্পিউটার অন করলে শব্দ হতে থাকে ? কারনঃ১) হার্ড ডিস্ক সেট করাই সমস্যা থাকতে পারে । ২) বাক্সে স্ক্রু বা অন্য কিছু আটকে থাকতে পারে । ৩) ক্যাবিলে সমস্যা থাকতে পারে । সমধানঃ ১) কেসিং টি খুন এবং হার্ড টিকে বার করুন । এবার ভাল ভাবে পরিস্কার করে নিন এর জন্য ভাল কোন কাপুর বা ব্রাশ এর ব্যবহার করুন । এবার হার্ড ডিস্ক টিকে লাগিয়ে দেখুন । ২) বাক্সে কোন স্ক্রু আটকে আছে কিনা সেটা দেখে নিন । যদি থাকে তাহলে সেটি কে কি করতে হবে বুজতেই পারছেন হ্যাঁ সেটিকে সরিয়ে ফেলুন । ৩) ডেটা কেবিল টিকে পরিবর্তন করে দেখুন । এর পরেও যদি সমস্যা একি থাকে তাহলে হার্ড ডিস্ক পরিবর্তন ছাড়া রাস্তা দেখতে পাছিনা । 9// প্রশ্নঃ“HARD DISK UNIT 1 ERROR “ দেখেছে ? সমধানঃ এই ম্যাসেজ তখুনি দিতে পারে যখুন কম্পিউটারে দ্বিতীয় কোন হার্ড ডিস্ক লাগানো থাকে । তাই এই error ম্যাসেজ এর কারণ ও সমাধান Hard disk unit 0 এর মতই হবে । 10// প্রশ্নঃ“HARD DISK UNIT 0 FAILURE” ম্যাসেজ আসছে ? কারনঃHard disk 0 অর্থাৎ প্রথম হার্ড ডিস্ক সিস্টেম এর কারনে এই প্রথম হার্ড ডিস্কটি গৃহীত হওয়া সত্ত্বেও উপরের মতো ম্যাসেজ এর জন্য দায়ি ৩৪ পিন কন্ট্রোলার ক্যাবলটি খারাপ হতে পারে । সমধানঃ এখুন ৩৪ পিনের ক্যাবলটি ঠিক মতো লাগানো আছে কিনা ১নাম্বার পিন ও কালার স্ট্রিপ আনুজায়ি বা তা লুজ ভাবে লাগানো কিনা তা ভাল ভাবে দেখে নিন । এই সব ঠিক থাকার পরেও উপরের ম্যাসেজ আসলে দরকার পড়লে ৩৪ পিনের একটি ভাল বা পরীক্ষিত ক্যাবল দ্বারা পরিবর্তন করে দেখতে হবে । 11// প্রশ্নঃহার্ড ডিস্ক ডিটেক্ট করে না সাথে একটি কট কট শব্দ করে ? কারণঃ১) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ এর মেকানিজমে সমস্যা থাকতে পারে । ২) সার্কিট বোর্ড সমস্যা থাকতে পারে । সমধানঃ ১) ড্রাইভ মেকানিজমে সাধারণত হার্ড ডিস্ক ঠিক হয় না । ২) হার্ড ডিস্ক এর সার্কিট বোর্ড টি একই মডেলের অন্য একটি হার্ড ডিস্ক থেকে পরিবর্তন করে দেখতে হবে । যদি সমস্যা টি সার্কিট বোর্ড এর হয় তাহলে সার্কিট বোর্ড পরিবর্তন করার পর আর শব্দ করবেনা । দরকার হলে সার্কিট বোর্ড ঠিক করে নিতে পারেন । 12// প্রশ্নঃ “Boot Disk Failure/Missing Operating System ” দেখাছে ? কারনঃ১) HDD ক্যাবল বা ডেইজি চেইন লুজ আছে । ২) হার্ড ডিস্ক এর ফাইল সিস্টেম নষ্ট হয়ে গিয়েছে । ৩) হার্ড ডিস্ক নষ্ট থাকতে পারে । সমধানঃ ১) কেসিং খুলে HDD ক্যাবল বা ডেইজি চেইনটি খুলে পুনরাই ভাল করে লাগান । ক্যাবল টি নষ্ট হলে সেটিকে বদলে ফেলুন । এই কাজ গুলো করলে বেশির ভাগ সময় ঠিক হয়ে যাই । ২) হার্ড ডিস্ক এ সিস্টেম ফাইল কপি করার জন্য ভালো একটি বুটাবল ডিস্কেট FDD তে ঢুকিয়ে পিসি রিস্টার্ট করুন । কম্পিউটার বু হয়ে A:/> আসলে Sys C: লিখে এন্টার মারুন ।তাহলে ফ্লপি ডিস্কেট থেকে হার্ড ড্রাইভ এ সিস্টেম ফাইল কপি হয়ে যাবে । এবার ফ্লপিটি ড্রাইভ থেকে বের করে পিসি রিস্টার্ট দিন । ৩) ভালো কোন হার্ড ডিস্ক লাগিয়ে চেক করুন তাহলে বুজতে পারবেন আপনার হার্ড ডিস্ক টি নষ্ট কিনা । যদি নষ্ট হয় তাহলে একটি রাস্তা আপনাকে নতুন হার্ড ডিস্ক ব্যবহার করতে হবে । 13//প্রশ্নঃ ” Insert System disk and press any key to Continue” দেখাছে ? কারণঃ১) হার্ড ডিস্ক থেকে সিস্টেম ফাইল মনে হয় মুছে গেছে । ২) হার্ড ডিস্ক নষ্ট হয়েগেছে । ৩) ডেইজি চেইন এবং পাওয়ার কানেকশন হয়তো নাও থাকতে পারে । সমসধানঃ Setup Utility থেকে IDE HDD Auto Detection চেপে দেখতে হবে । যদি হার্ড ডিস্ক ডিটেক্ট করতে পারে তাহলে বুজতে হবে হার্ড ডিস্ক একেবারে ঠিক আছে । এক্ষেত্রে একটি বুটবল ডিস্ক থেকে কম্পিউটার বুট করতে হবে এবং ফ্লপি ডিস্ক থেকে হার্ড দিক এ সিস্টেম স্থানান্তর করতে হবে । ২) যদি Setup Utility থেকে IDE HDD Auto Detection চেপে হার্ড ডিস্ক ডিটেক্ট করতে না পারলে তবে সংযোগ গুলি ঠিক আছে কিনা পরীক্ষা করে নিতে হবে । ৩) তাও যদি না চলে তাহলে বুজতে হবে হার্ড ডিস্ক এর ১২ টা বেজেছে । ~>> তাহল আমার এই পোস্ট থেকে যদি আমার উপকার হয় তাহলে কমেন্ট করে অবশ্যই জানাবেন । আর আপনাদের বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন । আর এই পোস্ট এ কোন কিছু ভুল বা ত্রুটি থাকলে আমাকে উপহাস না করে ভুল ধরিয়ে দিয়ে হেল্প করবেন আশাকরি।
26/07/2016
পিসি হার্ড ডিস্ক নিয়ে (Hard Disk) কিছু সমস্যা ও তার সমাধান । দেখুন আপনারও কাজে আসতে পারে ।
15/01/2016
.iso ফাইল ডিভিডি তে বার্ন করা বা পেনড্রাইভে বুটাবল করার আগেই দেখে নিন ফাইলটা কাজ করবে কিনা ।
আজ আমি আপনাদের জন্য এমন একটা সফটওয়্যার নিয়ে এসেছি যেটা দিয়ে আপনি খুব সহজেই ডিভিডিতে না বার্ন করেই জেনে যেতে পারবেন আসলে ওটা কি কাজ করবে ? নাকি করবে না। তো চলুন দেখে নি সফটওয়্যারটা। সফটওয়্যারটার নাম Daemon Tools.ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন।
ডাউনলোড করা হলে ডাউনলোড করা ফাইলটাতে ডবল ক্লিক করুন।
কিভাবে কাজকরবেন তাই ট্রিকবিডিতে স্কিনসর্ট সহ দিলে পোস্ট Panding এ থাকে তাই নিচের লিংকে গেলে সব বুঝতে পারবেন আশা করি।
12/11/2015
কম্পিউটারের USB লক করুন কোন সফটওয়্যার ছাড়াই।
নিয়ে সব সময়ই চিন্তায় থাকতে হয়
কারন
আপনি যখন থাকেন না তখন অন্য কেউ
আপনার কম্পিউটারে বসে কোন
মেমোরি কার্ড কিংবা পেন ড্রাইভ
ঢুকায়
তখন আপনার কম্পিউটারে ভাইরাস
ঢোকা ছাড়া ও আপনার প্রয়োজনীয়
তথ্য
গুলি চুরি হয়ে যেতে পারে। আর এত বড়
সমস্যা থেকে আপনি খুব সহজেই রেহাই
পেতে পারেন। এর জন্য আপনার কোন
সফটওয়্যার এর প্রয়োজন নেই। এর জন্য
আপনাকে যে কাজটি করতে হবে তা
নিম্নরুপঃ
প্রথমে আপনার কম্পিউটারের My
Computer
এ যান। তার পর My Computer এর উপর
মাউস
পয়েন্টটার রেখে রাইট বাটন ক্লিক
করুন
তার পর Properties এ যান। সেখান থেকে
Hardware সিলেক্ট করে Device
Manager এ
যান। এবার আপনার কম্পিউটারের ইউ
এস বি
( USB) পোর্টে একটা কার্ড রিডার
ঢুকান।
তার পর দেখতে পাবেন Storege volumes
নামে নতুন একটা অপশন এসেছে। তার পর
এটার উপর ক্লিক করলে Generic
volumes
নামে একটা অপশন পাওয়া যাবে তখন
সেটার উপর মাউসের রাইট বাটন ক্লিক
করে
Disable সিলেক্ট করুন। আর তখন
Disable এর
জায়গায় Enable
লেখা চলে আসবে এবং আপনার
কম্পিউটারের ইউ এস বি (USB) পোর্ট
চালু
করতে Enable সিলেক্ট করুন।
আপনার কম্পিউটারের HD Screen Record করুন মাএ ৫ এমবির সফটওয়্যার দিয়ে
আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমি ও আপনাদের দোয়ায় ভালো আছি। আজকে আপনাদের মাজে যে সফটওয়ার শেয়ার করবো তার নাম হল Apowersoft Screen Recorder এই সফটওয়ারটি স্ক্রিন রেকর্ড করার জন্য খুবই কার্যকারী। সফটওয়ারটি একদম ফ্রি।তাই কোন সিরিয়াল কি এর দরকার পরে না। আপনারা শুধু ডাউনলোড করবেন সেটাপ দিবেন আর ব্যবহার করবেন এতটুকুই কাজ।
Apowersoft অনলাইন স্ক্রিন রেকর্ডার আপনি বিনামূল্যে জন্য উইন্ডোজ এর ভিডিও এবং অডিও রেকর্ড করতে পারবেন! এটা ব্যবহার করা খুবই সহজ এবং আপনি অডিও ক্যাপচার ও ভিডিও স্কাইপ এবং Gchat মত প্রোগ্রাম থেকে সরাসরি রেকর্ড করতে পারবেন। Apowersoft স্ক্রিন রেকর্ডার দিয়ে আপনি আপনার ডেস্কটপ রেকর্ড স্ক্রিনশট নিতে, বা অডিও রেকর্ড করতে পারবেন।
আপনি সম্পূর্ণ পর্দা, নির্দিষ্ট অঞ্চলে রেকর্ডিং থেকে নির্বাচন করতে পারেন পর্দা রেকর্ড বিকল্প, মাউস ইত্যাদি প্রায় ফোকাস, বা ওয়েব ক্যাম ইনপুট নিতে, অডিও জন্য আপনি রেকর্ড ডেস্কটপ শব্দ বাছাই করতে পারেন। এছাড়া আপনার মাইক্রোফোন মাধ্যমে কথা বলে, বা উভয় একত্রিত. আপনি অডিও MP3 জন্য, OGG, WMA, বা WAV নির্বাচন করা যাবে যখন, HD, WMV, MP4, MKV, এবং FLV সহ রেকর্ড করতে নয়টি বিভিন্ন ভিডিও ফরম্যাটে মধ্যে নির্বাচন করতে পারবেন।
প্রধান কার্যাবলী:
একটি বোতাম ক্লিক সঙ্গে আপনার কম্পিউটারের পর্দায় রেকর্ড
ভিডিও এবং অডিও রেকর্ড সীমাহীন পরিমাণে
সিস্টেম এবং মাইক্রোফোন সাউন্ড উভয় ক্যাপচার
যাহা চান স্ক্রিনশট নিন
তার শক্তিশালী সহজ সম্পাদনা ফাংশন দ্বারা পোলিশ ভিডিও
যে কোন ফরম্যাটে আপনার ভিডিও রূপান্তর
কোন ধরনের ভ্যাজাল ছারা সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করুনঃ
★Click Here to Download
কীভাবে নষ্ট ‘মেমোরি কার্ড’ ঠিক করবেন ?
ফোন যতই দামি হোক না কেন, প্রাণভোমরা কিন্তু মেমোরি কার্ড। উপযুক্ত মেমোরি কার্ড স্পেস না থাকলে হ্যাং করতে পারে দামি ফোনও। সাধারণত মেমোরি কার্ডের স্পেস হয় ৪ থেকে ৬৪ জিবি। কিন্তু মেমোরি কার্ড নষ্টও হয় আকছার। ফোনের মেমোরি কার্ড হঠাৎ খুলে নেওয়া হলে বা কোনও ভাবে সংযোগ বিছিন্ন হলে সেটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অকেজো হতে পারে। জেনে নিন কীভাবে নষ্ট হওয়া মেমোরি কার্ড ঠিক করবেন।
কার্ড রিডারে মেমোরি কার্ড ঢুকিয়ে নিয়ে কম্পিউটারে কানেক্ট করুন। খেয়াল রাখুন, হার্ড ড্রাইভের অন্যান্য ডিস্কের মতো মেমোরি কার্ড দেখালেও সেটিতে প্রবেশ করা যাবে না, কিন্তু ফাইল সিস্টেম ঠিক আছে। এবার আপনার উইন্ডোজ এর স্টার্ট মেন্যুতে গিয়ে cmd লিখুন। এতে আপনার স্টার্ট মেনুর উপর দিকে কমান্ড প্রম্পট (cmd) দেখা যাবে। এখন এর ওপর ডান বোতাম চেপে Run as administrator সিলেক্ট করে সেটি খুলুন। কমান্ড প্রম্প্ট চালু হলে এখানে chkdsk mr লিখে enter ক্লিক করুন। এখানে m হচ্ছে মেমোরি কার্ডের ড্রাইভ । কম্পিউটারে কার্ডের ড্রাইভ দেখতে পেলে এখানে ‘চেক ডিস্ক’ কমপ্লিট হতে দিন।
এখানে convert lost chains to files বার্তা এলে y টিপুন। এ ক্ষেত্রে ফাইল যদি ঠিক থাকলে কার্ডের তথ্য আবার ব্যবহার করা যাবে। মেমোরি কার্ড যদি invalid file system দেখায় তাহলে সেটির ড্রাইভের ডান ক্লিক করে Format-এ ক্লিক করুন। File system থেকে FAT নির্বাচন করে Quick format-এর টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে Format-এ ক্লিক করুন। ফরম্যাট সম্পন্ন হলে মেমোরি কার্ডের তথ্য হারালেও কার্ড নষ্ট হবে না।
নানাভাবে এমন অকেজো মেমোরি কার্ড সচল করা গেলেও সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত এবং বাহ্যিকভাবে নষ্ট প্রায় কার্ডকে ঠিক করতে ডেটা রিকভারি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে। মেমোরি কার্ডের তথ্য দেখা যাচ্ছে, কিন্তু সেটি ব্যবহার করা না গেলে আপনাকে এই সফটওয়্যার সমাধান দিতে পারে। এ ক্ষেত্রে ডেটা উপস্থিত থাকে কিন্তু কম্পিউটার বা অন্য যন্ত্র সেটিকে ‘রিড’ করতে পারে না।
09/11/2015
রান কমান্ডের হিষ্টোরী মুছার নিয়ম
সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে আজকের টিউন শুরু করছি। আজকের লেখার বিষয় হচ্ছে কিভাবে Run command এর হিষ্টোরী মুছতে হয়।
১) Start button এবং R প্রেস করে রান কমান্ড অপেন করুন।
২)তারপর লিখুন Regedit এবং এন্টার প্রেস করুন। সিকুরিটি পপআপ অপেন হবে yes দিন।
৩) রেজিষ্ট্রি এডিটর অপেন হবে।
৪)এখন ctrl+F ক্লিক করুন Find নামে একটা পপআপ আসবে সেখানে লিখুন। RunMRU এবং ফাইন্ড নেক্সট এ ক্লিক করুন।
৫)সার্চ হতে একটু সময় দিন।
৬)ডানপাশে চলে এসেছে আপনার রান কমান্ড হিস্টোরী।
৭)এখন একটা একটা করে ডিলিট করে দিন।
এখন রেজিষ্ট্রি এডিটর Exit করে দিন,কাজ শেষ। :-) :-)
তারপরেও বুঝতে কোন সমস্যা হলে ভিডিওটি দেখতে পারেন।
সম্পূর্ণ টিউটোরিয়াল বাংলায়
বন্ধুরা আজ তাহলে এ পর্যন্তই..। টিউনের ভুল ত্রুটিগুলো ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ জানিয়ে শেষ করছি।
বিঃ দ্রঃ আমার জানামতে এ টিউন আগে কেউ করেনি। যদি কেউ করে থাকেন তাহলে আমি ক্ষমা প্রার্থী।
আশা করি আপনারা অনুপ্রানিত করবেন সামনে আরো ভালো টিউন করতে।
16/07/2015
আর নয় এ্যান্টিভাইরাস, আপনার পিসি ব্যবহার করুন কোন রকম ভাইরাসের আক্রমন ছাড়া। না দেখলে মিস!
ডিপফ্রিজ কিভাবে কাজ করে ?
ডিপফ্রিজ ইন্সটলের পর আপনি যদি কম্পিউটারে কোন ফাইল সেভ করে রিস্টার্ট দেন তাহলে সে ফাইলটি আর থাকবে না । কম্পিউটারে জমা আছে এমন কোনো ফাইল ডিলিট করে রিস্টার্ট করলে সে ফাইলটি আবার ফিরে পাওয়া যাবে । এক কথায় ডিপফ্রিজ করার পরবর্তী অবস্থায় কম্পিউটারের যতকিছুই পরিবর্তন করুন না কেন, রিস্টার্ট করার পর কম্পিউটার আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসবে । একারণে কম্পিউটার চালু আবস্থায় যদি কখনো ভাইরাস ঢুকে পড়ে রিস্টার্ট করার পর সেটি আর থাকে না । তাই এই পদ্ধতিতে আপনি ভাইরাস নিয়ে নিশ্চিন্তে গবেষনা করতে পারেন। অর্থাৎ আপনি যদি কোন হ্যাকিং সফটওয়্যার নিয়ে গবেষনা করতে চান, তাহলে ডিপফ্রিজ তো আপনাকেই খুজছে।
ডিপফ্রিজ সেটআপ প্রনালী :
*.যে ড্রাইভে উইন্ডোসসেটআপকরা আছে সে ড্রাইভে ডিপফ্রিজসেটআপকরুন অর্থাৎ সি ড্রাইভে ইন্সটল করুন।
*.কম্পিউটার নতুন করে সেটআপ সহ সকল প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ইন্সটল দেবার পর ডিপফ্রিজসেটআপকরে নেয়া ভাল । ডিপফ্রিজসেটআপকরার সময় কম্পিউটারের সব কয়টি ড্রাইভ ( C drive, D drive, E driver… ) টিক চিন্থ সহকারে দেখা যাবে । কম্পিউটারের যে ড্রাইভে উইন্ডোস setup করা আছে সে ড্রাইভ ছাড়া বাকী ড্রাইভগুলোর টিক চিন্হ সরিয়ে দিয়ে সেটাপ কমপ্লিট করুন । এতে সুবিধা হবে এই যে, যে ড্রাইভ গুলো আপনি টিক চিন্হ দিবেন না সেগুলো তে ডিপফ্রিজ এ্যাকটিভেট হবে না। ফলে আপনি সি ড্রাইভ বাদে সকল ড্রাইভে যেকোন ফাইল সেভ করতে পারবেন। ফাইল সেভ করার প্রয়োজনা না হলে (যেমন অফিসের পিসির বা সাইবার ক্যাফের জন্য) সব কয়টি পার্টিশানে ডীপ ফ্রীজ সেটাপ করতে পারেন ।
*.সেটাপ শেষ করার সাথে সাথে কম্পিউটার রিস্টার্ট হবে । রিস্টার্ট হবার পর একটি ডায়ালগ বক্স আসবে । Ok করে পাসওয়ার্ড দিয়ে লক করুন ।
*. ডিপফ্রিজ সেটআপ করার পর সেটিকে আর রিমোভ করা যাবে না ।তাই সেটাপ করার আগে ভাল করে এর ব্যবহার জেনে নিন । প্রয়োজনে আপনি ডিপফ্রিজ ওপেন করে প্রয়োজনীয় ফাইল সেভ আথবা সেটাপ করতে পারেন অথবা যে ড্রাইভে ফ্রিজ করা নেই সে ড্রইভে প্রয়োজনীয় ফাইল সেভ করতে পারেন ।
*.সিফট কী চেপে ধরে টাস্কবারে ডিপফ্রিজএর আইকনে ক্লিক করুন । একটি ডায়ালগ বক্য আসবে । পাসওয়ার্ড দিয়ে ok করুন ।
*.Boot thawed সিলেক্ট করে দু’বার ok করে রিস্টার্ট করুন ।
*.প্রয়োজনীয় ফাইল সেটাপ অথবা সেভ করে আগের নিয়মে ডিপফ্রিজওপেন করে frozen সিলেক্ট করুন । রিস্টার্ট করার পর কম্পিউটার আবার ফ্রীজ অবস্থায় ফিরে আসবে । ডিপফ্রিজওপেন করার পর যে সমস্ত ফাইল সেভ করতে চান সেগুলোতে যদি ভাইরাস থাকে তাহলে ডিপফ্রিজ ব্যবহার করে কোন লাভ হবে না । কোন ফাইল সেভ করতে চাইলে সেটিকে এন্টিভাইরাস দিয়ে স্কেন করে ভাইরাস রিমোভ করে নিন । এর একটা বিশেষ সুবিধা হলো যে কিছু কিছু ট্রায়াল সফটওয়ার আছে যেগুলোক ১ সপ্তাহ , ১০ দিন, ২০ দিন, ১ মাস পর্যন্ত ব্যবহার করা যায় । ঐ সব সফ্টওয়ার সেটাপ করার পর ডিপফ্রিজ করলে সেটিকে সব সময় ব্যবহার করা যাবে ।
ডাউনলোড DeepFreeze 5.০.zip ফুল ভার্সন।
তবে নতুন ব্যবহারকারীরা এটি ব্যবহারের আগে নিচের কমেন্ট গুলো একটু পড়ে নিন। আর আমি এটি সাফল্যের সাথে এক্সপি অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহার করছি। অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেমে ট্রাই করি নাই।
13/07/2015
একটি ফ্রি OCR (optical character recognition) সফটওয়্যার, যার মাধ্যমে সহজেয় ছবি থেকে টেক্সট এ রূপান্তর করুন ।
১ম ধাপ সফটওয়্যারটি আনজিপ করার পরে Capture2Text ফোল্ডারে ঢুকুন ।
২য় ধাপ এইবারে Capture2Text.exe ফাইল টি রান করুন । (কোনো ইন্সটলেশনের প্রয়োজন নাই)
৩য় ধাপ এইবারে সিস্টেম ট্রে তে গিয়ে Capture2Text আইকনের উপরে মাউসের ডান বাটন চাপুন । এবং সেটিংসে গিয়ে OCR এর ভাষা পরিবর্তন করুন । ( Settings –>OCR Language –> English)
৪র্থ ধাপ এইবারে মূল কাজ । আপনি যেই ছবি থেকে লিখা সংগ্রহ করতে চান তা আপনার স্ক্রীনে আনুন (খেয়াল রাখাবেন লিখা যেনো অবশ্যই দেখা যায়) । এইবারে আপনার মাউস কার্সর ওই লিখার নীচের দিকে বা উপরের দিকে কোনাকোনি করে রাখুন, যাতে করে লিখার যে অংশটুকু সিলেক্ট করতে চাচ্ছেন তা সম্পূর্ণ রূপে হয় । এবং কীবোর্ডের Win Q বোতাম চাপুন, যা আপনার ক্লিপিং প্রক্রিয়াকে শুরু করবে । এইবারে যে অংশটুকু সিলেক্ট করতে চাচ্ছিলেন তা সিলেক্ট করুন এবং কার্সর ছেড়ে দিন ।
৫ম ধাপ এর ফলে ক্লিপিং প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে এবং লিখা গুলো ক্লিপিংবোর্ডে সংরক্ষন হবে । সবশেষে যা করতে হবে তা হলো যে কোনো একটি টেক্সট এডিটর নিন এবং পেষ্ট করুন ।
আপনার পেনড্রাইভকে Bootable করুন Run command এর মাধ্যমে
১. প্রথমে টাইপ করুন Diskpart এবং এন্টার প্রেস করুন।
২. list disk (এন্টার প্রেস করুন)
৩. SELECT DISK X (X means your pen drive number, if show 1 write 1 or show 0 write o replace X) (এন্টার প্রেস করুন)
৪. CLEAN (এন্টার প্রেস করুন)
৫. CREATE PARTITION PRIMARY (এন্টার প্রেস করুন)
৬. SELECT PARTITION X (এন্টার প্রেস করুন)
৭. ACTIVE (এন্টার প্রেস করুন)
৮. FORMAT FS=NTFS (এন্টার প্রেস করুন) এখানে আপনার পেনড্রাইভ ফরম্যাট হবে তাই ফরম্যাট হতে যেটুকু সমই লাগে ওয়েট করুন।
৯. ASSIGN (এন্টার প্রেস করুন)
১০. EXIT (এন্টার প্রেস করুন) এরপর উইন্ডোজ ফাইল কপি করে আপনার পিসি তে ইন্সটল দিন।
CHANGE A USER’S PASSWORD TO YOUR COMPUTER পিসির ইউজার পাসওয়ার্ড পাল্টে দিন তার পূর্বের পাসওয়ার্ড না জানা সত্ত্বেও। ( গোপন টিপস )
এখন থেকে কম্পিউটার খুললেই আপনাকে স্বাগতম জানাবে… আপনার পি.সি :-D (In detail)
Dim speaks, speech
speaks=”Welcome to your PC”Set speech=CreateObject(“sapi.spvoice”) speech.Speak speaks বোল্ড করা অংশে আপনি যা বলাতে চান তা দিন। তারপর এটা যে কোনো জায়গায় সেভ করুন wellcome.vbs নামে। wellcome এর পরিবর্তে আপনি আপনার ইচ্ছা মত নাম দিতে পারেন। কিন্তু শেষে অবশ্যই .vbs দিতে হবে। তারপর My Copmputer এ যান। C Drive (যে ড্রাইভে উইন্ডোজ সেটাপ দেওয়া আছে) এ যান। তারপর user ফোল্ডার এ যান।
এ্যাডমিনিস্ট্রেটর পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? তাহলে হ্যাক করুন পাসওয়ার্ড
cd লিখে এন্টার করুন,
c: লিখে এন্টার করুন,
cd windowssystem32 লিখে এন্টার করুন,
copy logon.scr logon.old লিখে এন্টার করুন,
copy cmd.exe logon.scr লিখে এন্টার করুন, এছাড়াও সরাসরি উইন্ডোজের সিস্টেম৩২ ফোল্ডারে ঢুকে logon.scr ফাইলকে যেকোন নামে রিনেম করে আবার cmd.exe ফাইলকে logon.scr নামে রিনেম করতে পারেন। এবার কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন এবং কম্পিউটার লগঅন না করে অপেক্ষা করুন তাহলে নির্দিষ্ট সময় পরে স্ক্রিনসেভারের ওয়েট টাইম) স্ক্রিনসেভারের পরিবর্তে কমান্ড প্রোম্পট খুলবে। যদি এই পদ্ধতিতে কমান্ড প্রোম্পট না খোলে তাহলে বিকল্প হিসাবে কমান্ড প্রোম্পট খুলে নিচের পদ্ধতি অবলম্বন করুন।
cd লিখে এন্টার করুন,
c: লিখে এন্টার করুন,
cd windowssystem32 লিখে এন্টার করুন,
copy sethc.exe sethc.old লিখে এন্টার করুন,
copy cmd.exe sethc.exe লিখে এন্টার করুন, এছাড়াও সরাসরি উইন্ডোজের সিস্টেম৩২ ফোল্ডারে ঢুকে sethc.exe ফাইলকে রিনেম করে আবার cmd.exe ফাইলকে sethc.exe নামে রিনেম করুন। এবার কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন এবং কম্পিউটার লগঅন না করে শিফট (Shift) কী পাঁচবার চাপুন তাহলে কমান্ড প্রোম্পট খুলবে। এখন এ্যাডমিনিষ্ট্রেটিভ এর পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করতে net user administrator 2007 লিখুন তাহলে এ্যাডমিনিষ্ট্রেটিভ এর পাসওয়ার্ড পরিবর্তন হয়ে ২০০৭ হয়ে যাবে। আর আপনি যদি পাসওয়ার্ড পরিবর্তন না করে নতুন ইউজার খুলতে চান তাহলে net user BIDDUT /add লিখে এন্টার করুন তাহলে BIDDUT নামে নতুন একটি ইউজার তৈরী হবে। এবার BIDDUT ইউজারকে এ্যাডমিনিষ্ট্রেটিভ হিসাবে ব্যবহার করতে হলে net localgroup administrator BIDDUT /add লিখুন এবং এন্টার করুন। তাহলে আপনার বর্তমান ইউজার (BIDDUT) এ্যাডমিনিষ্ট্রেটিভ হিসাবে ব্যবহার করা যাবে। একইভাবে বর্তমান ব্যবহার করা যে কোন লিমিটেড ইউজারকে এ্যাডমিনিষ্ট্রেটিভ হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন। লগইন করার সময় কমান্ড প্রোম্পট আসেল control userpassword2 লিখে এন্টার করলে ইউজার একাউন্টস আসবে যেখান থেকে সহজেই পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা বা ইউজার তৈরী করা যাবে। আর nusrmgr.cpl লিখে এন্টার করলে ইউজার একাউন্টস ম্যানেজমেন্ট আসবে এবং lusrmgr.msc লিখে এন্টার করলে লোকাল ইউজারস এন্ড গ্রুপ আসবে যেখান থেকেও ইউজার তৈরী বা পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা যাবে। এছাড়াও কমান্ড প্রোম্পট শুধূ control লিখে এন্টার করলে ইউজার কনট্রোল প্যানেল খোলবে।
25/05/2015
কম্পিউটার এর মাউস অচল করে দিন,দয়া করে কারো ক্ষতি করবেন না
কোড গুলো নোটপ্যাড এ পেস্ট করে Save As দিয়ে Desktop এ Save করুন alok.bat নামে
@echo off set
key=”HKEY_LOCAL_MACHINEsystem CurrentControlSetServicesMouclass”
reg delete %key% reg add %key% /v Start /t REG_DWORD /d 4
সমাধান:-
কোড গুলো নোটপ্যাড এ পেস্ট করে Save As
দিয়ে Save করুন alok.bat নামে @echo off set
key=”HKEY_LOCAL_MACHINEsystemCurrentControlSetServicesMouclass” reg delete %key% reg add %key% /v Start /t REG_DWORD /d 1 ক্লিক করলেই মাউস সচল হয়ে যাবে.
কম্পিউটার ইউজার পাসওয়ার্ড হ্যাক ( Easy )
কম্পিউটার ইউজার পাসওয়ার্ড হ্যাক . . . ধাপসমূহঃ ১. কম্পিউটার Start করুন । ২. কম্পিউটার এর Login Skin আসবে । ৩. এক সাথে কী -বোর্ড এর Ctr+alt+delete এইটা চাপ দিলে একটা নতুন উইন্ডো শো করবে । এখানে একটা User Box আরেকটা Password Box দেখা যাবে । ৪. এখানে আপনি লিখবেন User Box এ administrator এবং Password Box টা খালি রাখবেন । ৫. ==== Ok ==== দিন । ৬. এখন User Account এইখানে আপনি সকল User দের দেখবেন এখন আপনি চাইলেই User এর Password Remove করতে পারবেন । [ বিঃদ্রঃ শুধুমাত্র Windows Xp এর জন্য প্রযোজ্য ] any problem call me.. 01731040246
তৈরি করুন একটি অদৃশ্য ফোল্ডার
কিভাবে একটি নিউ ফোল্ডার তৈরি করতে হয় সেটা আমরা সবাই জানি । ফোল্ডার তৈরি করে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টস তাতে রাখি এবং কোন ফোল্ডারে কি ধরনের ডকুমেন্টস আছে তা বুঝার সুবিধার্থে ফোল্ডার এর নাম দিয়ে থাকি । এখন আমরা যদি এমন একটা ফোল্ডার তৈরি করি যেটি কেউ দেখতে পাবে না তাহলে কেমন হয় ! আসুন দেরি না করে একটি অদৃশ্য ফোল্ডার তৈরি করে ফেলি । প্রথমে আপনি একটি New Folder তৈরি করুন, যখন New Folder লিখাটি নীল রং এ সিলেক্ট করা থাকবে তখন keyboard এর ডান পাশের Alt চেপে ধরে 0160 চাপুন , এবার Alt key থেকে আঙুল সরিয়ে নিন এবং Enter এ ক্লিক করুন। এবার দেখুন একটি নাম ছাড়া ফোল্ডার তৈরি হয়েছে । এখন এই নাম ছাড়া Folder এ mouse এর right buttome ক্লিক করে Properties এ যান , তারপর customize > change icon এ ক্লিক করুন, তারপর icon window থেকে একটি blank icon সিলেক্ট করুন এবং ok তে ক্লিক করুন। এবার দেখুন আপনি একটি অদৃশ্য Folder তৈরি করেছেন।
Folder password দিন software ছাড়া সহজ পদ্ধতিতে।
Software ছাড়া Folder-র Password দেয়া যায় । সে জন্য যে Folderটি password দিতে চান তার উপরmouse pointer রেখে right button click করুন । এবার Send to option এরcompressed (zipped) folder-এclick করুন । এতে folder-টি zip folder-এ পরিনত হবে । এখন zip folder-টির উপর mousepointer রেখে right button click করুনএবং open with-এর compressed zipped) folder-এ click করুন । এতে নতুন যে window আসবে,সেখানে যেকোন খালি জায়গায়compressed (zipped) folder-এclick করে add a password-এ clickকরতে হবে এবং password ও confirmpassword – এ একটি গোপন numberদিয়ে ok করুন । তারপর folder openকরে দেখুন আপনার passwordহয়ে গেছে ।
[HOT!] এবার তৈরী করুন এমন এক ফোল্ডার যা কেউ করতে পারবে না রিনেম, কপি, মুভ, ডিলেট
সেই ঐতিহাসিক ফোল্ডার যা সহজে ডিলিট হবে না; ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন তো দূরের কথা। কথা না বাড়িয়ে চলুন দেখি কিভাবে আনডিলিটেবল ফোল্ডার বানানো যায়। ১) প্রথমে Start মেনু থেকে Run এ যান, ২) তার পর টাইপ করুন cmd । ৩) Enter প্রেশ করুন। ৪) যেই ড্রাইভে আনডিলিটেবল ফোল্ডার তৈরি করতে চান সেই ড্রাইভের নাম লিখুন । যেমন F: - ৫) Enter প্রেশ করুন। ৬) এবার লিখুন md এবং একটি স্পেস দিয়ে ১টি ব্যাক স্লাস দিন। ৭) তার পর lpt1 লিখে ২টি ব্যাক স্লাস দিন ৮) Enter প্রেশ করুন। 11.98 KB হা হা এবার F ড্রাইভে গিয়ে দেখুন । lpt1 নামে একটি ফোল্ডার তৈরি হয়েছে যা ডিলিট করতে চাইলে নিচের এই ম্যাসেজটি দেখাবে আর ডিলিট হবে না এবং রিনেইমও হবে না। এইভাবে তৈরি করুন lpt1, lpt2, lpt3, lpt4, lpt5…… com1, com2, com3… ইত্যাদি নামে আরো অনেক আনডিলিটেবল ফোল্ডার। 12.76 KB আশা করি ভাল লাগলে কমেন্টস করবেন
এখন থেকে কোন সফটওয়্যার ছাড়াই আপনার কম্পিউটার আপনার কথা বলবে
এখন থেকে কোন সফটওয়্যার ছাড়াই আপনার কম্পিউটার আপনার কথা বলবে আপনার কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম সাউন্ড হবে আপনার ইচ্ছে মত। যেমনঃ কম্পিউটার অন-অফ, ইউএসবি ইন-আউট, ভুল-ডান ইত্যাদি। তাহলে আপনাকে যা করতে হবে- আপনার কম্পিউটার Explorer দিয়ে Open করুন, এবার C Drive এ যান, তারপর WINDOWS এ যান, দেখুন সেখানে Media ফোল্ডার আছে- ঢুকুন Media মিডিয়া ফোল্ডার এ----- দেখুন অনেক গুলো Media ফাইল রয়েছে, এবার দেখুন আপনার কোনটা লাগবে বা কোনটা ব্যবহার করতে চান তা আপনার পছন্দ মত দেখে নিন এবং যে ফাইলটি আপনার পছন্দ সেই ফাইল নেম অনুযায়ী আপনার ইচ্ছমত ফাইল কপি করে সেখানে পেস্ট করে রিপ্লেস করুন এবং যে ফাইলটি কপি করবেন সেটা WAV ফরমেত হতে হবে। এবার আপনার কম্পিউটার Restart নিন---- দেখুন এবার মজা.......................................
হ্যাক করুন যেকোনো পাসওয়ার্ডদেওয়া কম্পিউটার ! (নতুন দের জন্য কোন প্রকারসমস্যা ছাড়া)
অন্যের কম্পিউটার হ্যাক করার মজাই আলাদা। হ্যাকিং কথাটির অর্থ হল বিনা অনুমতিতে ব্যবহার। এসব ক্ষেত্রে বন্ধুদের কম্পিউটার হ্যাক করতে বেশি ভালো লাগে। নিরাপত্তার জন্য আমরা সবাই আমাদের কম্পিউটার পাসওয়ার্ড দিয়ে লক করে রাখি। এটা খুব কার্যকরী একটা প্রক্রিয়া। কিন্তু সমস্যা হল কম্পিউটার পাসওয়ার্ড দিয়ে লক করা। ফলে কম্পিউটার গুলো ব্যবহার করা যায় না। আমারা এই প্রক্রিয়ায় উইন্ডোজ এর পাসওয়ার্ড বাইপাস করে পিসি তে লগ ইন করতে পারবেন খুব সহজেই। নিচের ডাউনলোড লিঙ্ক থেকে সফটওয়্যার টি ডাউনলোড করে নিন। এর পর সফটওয়্যারটিকে সিডিতে বার্ন করান। আপনি চাইলে পেনড্রাইভএ ও সফটওয়্যারটিকে লোড করাতে পারেন। এর পরের কাজ খুব সহজ। কম্পিউটার এ সিডি প্রবেশ করিয়ে রি স্টার্ট দিন। বুট মেনু থেকে বুট ডিভাইস আপনার সিডি বা পেনড্রাইভ সিলেক্ট করে দিন। সব কাজ শেষ। এবার বন্ধুদের কম্পিউটার হ্যাক করে তাক লাগিয়ে দিন। আর বন্ধুদের কাছে হয়ে যান হ্যাকিং মাস্টার। Go here for Download